...
...
Next Story

Bangladeshi Sarjis Alam: 'নিজেদের ওষুধের স্বাদ' পেয়ে কান্নাকাটি ইসকন নিষিদ্ধ করতে চাওয়া সারজিস আলমের

পঞ্চগড়-১ আসন থেকে জামাতের সমর্থনে লড়েছিলেন উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক। এহেন সারজিস দাবি করেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা এনসিপির কর্মীদের বাড়িতে হামলা করছে। এমনকী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও হামলার অভিযোগ উঠেছে।

Published on: Feb 15, 2026, 13:08:58 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

ইউনুস জমানায় বাংলাদেশে 'মব সংস্কৃতির' জন্ম দিয়েছিল 'বিপ্লবীর দল' এবং তাদের সমর্থকরা। তাদের মতবাদের বিরুদ্ধে থাকা মানুষজনকে গণপিটুনি দিয়েছিল তরুণ বিপ্লবীরা। এখন নির্বাচনের পরে সেই এনসিপি এবং তাদের কর্মীসমর্থকরা মার খাচ্ছে বলে অভিযোগ। এই আবহে একদা ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে চাওয়া সারজিস আলম 'কান্নাকাটি' শুরু করেছেন। পঞ্চগড়-১ আসন থেকে জামাতের সমর্থনে লড়েছিলেন উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক। এহেন সারজিস দাবি করেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা এনসিপির কর্মীদের বাড়িতে হামলা করছে। এমনকী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও হামলার অভিযোগ উঠেছে।

ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে চাওয়া সারজিস আলম 'কান্নাকাটি' শুরু করেছেন নির্বাচনের পরে
ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে চাওয়া সারজিস আলম 'কান্নাকাটি' শুরু করেছেন নির্বাচনের পরে

সারজিস আলম বলেন, প্রায় ৩০টির মতো জায়গায় আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। তাদের রক্তাক্ত করা হয়েছে, বাড়িঘর-দোকানপাটে হামলা করা হয়েছে। বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের বেশ কিছু নেতাকর্মী সন্ত্রাসী কায়দায় এমন কার্মকাণ্ড করছে। আমরা চেয়েছিলাম, নির্বাচনের পরে যারাই ক্ষমতায় আসুক, তারা তাদের জায়গা থেকে বাংলাদেশের পুরনো রাজনৈতিক নোংরা কালচার, প্রতিহিংসার রাজনীতি ছুড়ে ফেলে দিয়ে সুন্দর গণতান্ত্রিক উপায়ে রাজনীতি করবে। যার যেটা দল, যার যেটা পছন্দের প্রার্থী, সে সেখানে রাজনীতি করবে। কিন্তু বিজয়ী হয়ে প্রতিপক্ষকে থাকতে না দেওয়া, আক্রমণ করা, রক্তাক্ত করা, হুমকি দেওয়া— এগুলো স্বৈরাচারী চরিত্র।

এরপর সারজিস আরও বলেন, 'বিএনপি যদি তাদের জায়গা থেকে আবার নব্য স্বৈরাচার হতে চায়, আমরা মনে করি তারা পাঁচ বছর ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না। তাদের পতন অনিবার্য হয়ে পড়বে। বিএনপি এক দিনে যা শুরু করেছে, এটা যদি তারা করতে থাকে, তারা দুই বছর ঠিকমতো টিকতে পারবে না। আপনারা কয়দিন আগেও ভুক্তভোগী ছিলেন, নির্যাতিত ছিলেন। একই চরিত্র যদি আপনারা দেখান, সামনে আপনাদের অবস্থা এর চেয়েও খারাপ হবে। যদি আপনারা আমাদের কাজে বাধা দেন, মিথ্যা মামলা দিতে চান, হুমকি-হয়রানি করতে চান, আমরা একটা লিমিট পর্যন্ত সহ্য করব, এরপর আর ছাড় দেব না।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe