...
...
Next Story

Bangladeshi Student Leader Latest Detail: বাংলাদেশে হিন্দু খুন করা মেহেদি ভারতে এসেছিল ৮ বছর বড় চুক্তিভিত্তিক বউকে নিয়ে

বাংলাদেশের ছাত্র নেতা মেহেদি হাসানের স্ত্রীও দিল্লিতে এসেছিলেন। সেই তরুণীর নাম তুহিন আক্তার। এই তুহিন নাকি মেহেদির চুক্তিভিত্তিক বউ। বয়সে তিনি মেহেদির থেকে ৮ বছর বড়। প্রায় ৬ মাস আগে মেহেদির সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে বিয়ে হয়েছিল বলে ক্যামেরায় স্বীকার করেন তুহিন।

Updated on: Feb 19, 2026, 10:11:24 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

বাংলাদেশের বিপ্লবী ছাত্রনেতা হয়ে ওঠা মেহেদি হাসানকে ভারতের বিমানবন্দরে আটক করা হয় গত ১৮ ফেব্রুয়ারি। দিল্লি পুলিশ এই বাংলাদেশি ছাত্রনেতাকে আটক করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। এরই মাঝে ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিয়ো। তাতে দাবি করা হচ্ছে, মেহেদির স্ত্রীও দিল্লিতে এসেছিলেন। সেই তরুণীর নাম তুহিন আক্তার। এই তুহিন নাকি মেহেদির চুক্তিভিত্তিক বউ। রিপোর্টে দাবি করা হয়, বয়সে তিনি মেহেদির থেকে ৮ বছর বড়। প্রায় ৬ মাস আগে মেহেদির সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে বিয়ে হয়েছিল বলে ক্যামেরায় স্বীকার করেন তুহিন।

বাংলাদেশের ছাত্র নেতা মেহেদি হাসানের স্ত্রীও দিল্লিতে এসেছিলেন।
বাংলাদেশের ছাত্র নেতা মেহেদি হাসানের স্ত্রীও দিল্লিতে এসেছিলেন।

এর আগে থানায় বসে ক্যামেরার সামনে হিন্দু পুলিশ অফিসারকে খুনের কথা স্বীকার করেছিল ছাত্রনেতা মেহদি হাসান। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আবার গ্রেফতারির একদিন পরই জামিনও পেয়ে যায় সে। এই মেহদির বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা রুজু হয়েছিল। এহেন মেহেদি এসেছে ভারতে। ১৭ ফেব্রুয়ারি এই মেহেদিকে দেখা গিয়েছিল দিল্লির ভিএফএস সেন্টারে। সেখানেই তার ভিডিয়ো রেকর্ড করা হয়। এরপরই নাকি তাকে ফোন করে অনেকে হুমকি দিয়েছে। এদিকে মেহেদি জানায়, ফিনল্যান্ডে যাওয়ার ভিসা পেতে দিল্লিতে গিয়েছিল সে।

উল্লেখ্য, হাসিনা বিরোধী বিক্ষোভের সময় হিন্দু পুলিশ অফিসারকে জ্বালিয়ে দেওয়ার দাবি করেছিল বাংলাদেশি ছাত্রনেতা মেহদি হাসান। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এই মেহদি। কয়েকদিন আগে থানায় বসেই পুলিশ আধিকারিককে হুমকি দেয় এই বিপ্লবী নেতা। সেই সময়ই ২০২৪ সালের অগস্টের ঘটনার 'দায় স্বীকার' করে সে। পরে পুলিশ গ্রেফতার করে সেই ছাত্রেতাকে। জানা যায়, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক সদস্যকে পুলিশের হাত থেকে ছাড়াতে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় গিয়েছিল মেহেদি। সেখানে সে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারকে আঙুল উঁচিয়ে শাসায়। বলে, 'বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে (সন্তোষ চৌধুরী) কিন্তু জ্বালাই দিয়েছিলাম'। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক। সেই বিপ্লবী ছাত্রনেতাই দিব্যি ভারতে এসেছিল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe