Ghaziabad rape-murder case: উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের নির্মীয়মাণ একটি শপিং মল থেকে সাত বছরের এক নাবালিকার ক্ষতবিক্ষত বিবস্ত্র দেহ উদ্ধারে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। শুক্রবার মধ্যরাতের ঘটনা। পরিবারের অভিযোগ, খাবারের লোভ দেখিয়ে ওই ফাঁকা জায়গায় ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল নাবালিকাকে। তার পর তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরে ১২ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও জলে ডুবিয়ে মারার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গাজিয়াবাদের এই হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটল।
‘হিন্দুস্তান টাইমস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশ ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় জড়িত দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে, যাদের মধ্যে একজন ২২ বছরের যুবক এবং অন্যজন ১৬ বছরের এক নাবালক। পুলিশ সূত্রে খবর, নাবালিকার বাবা একজন নির্মাণ শ্রমিক। তিনি নির্মাণস্থলের কাছেই পরিবার নিয়ে রয়েছেন। শুক্রবার রাত ১টা নাগাদ পরিবারের সদস্যেরা নির্মাণস্থলে নাবালিকার দেহ দেখতে পান। গত দু’বছর ধরে ওই এলাকাতেই রয়েছে নাবালিকার পরিবার। তারা বিহারের বাসিন্দা।
ছক কষেছিল নাবালকই
গাজিয়াবাদের ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (ডিসিপি) ধবল জয়সওয়াল জানিয়েছেন, এই নৃশংস অপরাধের মূল ব্লুপ্রিন্ট বা ছক কষেছিল ওই ১৬ বছরের নাবালকই। সে-ই অভিযুক্ত যুবককে এই অপরাধের জন্য প্ররোচিত করেছিল। নিজেদের পরিচয় আড়াল করতে এবং ধরা পড়ার ভয় থেকেই ধর্ষণের পর ওই শিশুটিকে তারা খুন করে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ আরও জানিয়েছে, নির্যাতিতার পরিবার মূলত বিহারের বাসিন্দা এবং গত কয়েক বছর ধরে কাজের সূত্রে তারা গাজিয়াবাদে থাকছিল। যে নির্মীয়মাণ ভবনে তারা শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন, সেখান থেকে মাত্র ৩০০ মিটার দূরেই একটি অস্থায়ী আস্তানায় থাকত এই পরিবারটি।
সাড়ে ৪ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস তল্লাশি ও পথকুকুরের সাহায্য
নাবালিকার বাবা জানিয়েছেন, শুক্রবার রাত ৮টা নাগাদ হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে যায় তাঁর কন্যা। এরপর পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা মিলে চারিদিকে রুদ্ধশ্বাস তল্লাশি শুরু করেন। অবশেষে শনিবার রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ ওই নির্মীয়মাণ ভবনের বেসমেন্ট থেকে ওই নাবালিকার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর কথায়, ‘মেয়েকে দেখতে না পেয়ে আমরা আশপাশে খোঁজাখুঁজি করি। ঘণ্টা তিন-চারেক পর নির্মীয়মাণ শপিং মলের বেসমেন্টে ওর দেহ দেখতে পাই। সিসি ক্যামেরায় দেখা গিয়েছে মেয়েকে দু’জন তুলে নিয়ে যাচ্ছে। রাত সাড়ে ১২টার সময় মেয়ের দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিই।’ নাবালিকার বাবা আরও বলেন, ‘মেয়ের শরীরে পোশাক ছিল না। মাথা, মুখ থেকে রক্ত ঝরছিল। তার হাত এবং পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে।’
{{/usCountry}}নাবালিকার বাবা জানিয়েছেন, শুক্রবার রাত ৮টা নাগাদ হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে যায় তাঁর কন্যা। এরপর পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা মিলে চারিদিকে রুদ্ধশ্বাস তল্লাশি শুরু করেন। অবশেষে শনিবার রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ ওই নির্মীয়মাণ ভবনের বেসমেন্ট থেকে ওই নাবালিকার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর কথায়, ‘মেয়েকে দেখতে না পেয়ে আমরা আশপাশে খোঁজাখুঁজি করি। ঘণ্টা তিন-চারেক পর নির্মীয়মাণ শপিং মলের বেসমেন্টে ওর দেহ দেখতে পাই। সিসি ক্যামেরায় দেখা গিয়েছে মেয়েকে দু’জন তুলে নিয়ে যাচ্ছে। রাত সাড়ে ১২টার সময় মেয়ের দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিই।’ নাবালিকার বাবা আরও বলেন, ‘মেয়ের শরীরে পোশাক ছিল না। মাথা, মুখ থেকে রক্ত ঝরছিল। তার হাত এবং পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে।’
{{/usCountry}}হিন্দুস্তান টাইমস-কে নাবালিকার মা জানিয়েছেন, নিখোঁজ মেয়ের সন্ধানে এলাকার কয়েকটি পথকুকুর অলৌকিক উপায়ে তাঁদের সাহায্য করেছে। যখন বাবা-মা ও প্রতিবেশীরা চারিদিকে খুঁজছিলেন, তখন একটি পথকুকুর তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎই ওই নির্মীয়মাণ মলের বেসমেন্টের দিকে এগিয়ে যায় এবং সেখানে গিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে পড়ে। তাঁর কথায়, 'চারিদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার ছিল, কিন্তু আমরা তাও ভেতরে খুঁজি। একটা পথকুকুর আমাদের সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছিল। হঠাৎই কুকুরটি বেসমেন্টের দিকে গিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে পড়ে। কুকুরটির আচরণ লক্ষ্য করে আমরা তার পিছু পিছু ভেতরে যাই এবং টর্চের আলো ফেলতেই দেখি আমার মেয়ের নিথর দেহ ওখানে পড়ে রয়েছে।' মেয়েকে উদ্ধারের পরপরই স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় অভিযুক্তদের বাড়ি শনাক্ত করতে সক্ষম হন পরিবারের সদ্যসরা। এরপর রাত ১টা নাগাদ পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে।