...
...
Next Story

ICG New Hovercraft: দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি নতুন হোভারক্রাফট পেল ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী, বাড়ল সামুদ্রিক নজরদারি

গোয়ায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অত্যাধুনিক এই হোভারক্রাফট আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মহলের মতে, উপকূলীয় নজরদারি, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর ক্ষেত্রে এই নতুন সংযোজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

Published on: Jun 19, 2026 12:10 PM IST
Advertisement

ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি একটি নতুন এয়ার-কুশন ভেহিকল বা হোভারক্রাফট নিজেদের বহরে অন্তর্ভুক্ত করল ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী (আইসিজি)। গোয়ায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অত্যাধুনিক এই হোভারক্রাফট আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মহলের মতে, উপকূলীয় নজরদারি, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর ক্ষেত্রে এই নতুন সংযোজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

গোয়ায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অত্যাধুনিক এই হোভারক্রাফট আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন করা হয়েছে।
গোয়ায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অত্যাধুনিক এই হোভারক্রাফট আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন করা হয়েছে।

হোভারক্রাফট এমন এক ধরনের যান, যা বাতাসের কুশনের উপর ভর করে জল এবং স্থল—দুই জায়গাতেই চলাচল করতে পারে। ফলে অগভীর জল, কাদা, চরাঞ্চল কিংবা উপকূলের দুর্গম এলাকায়ও সহজে পৌঁছানো সম্ভব হয়। এই বিশেষ ক্ষমতার কারণেই বিশ্বের বহু দেশের উপকূলরক্ষী ও নৌবাহিনী হোভারক্রাফট ব্যবহার করে থাকে।

ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর নতুন এই হোভারক্রাফট সম্পূর্ণভাবে দেশের অভ্যন্তরে নির্মিত হয়েছে। এটি দেশের প্রতিরক্ষা উৎপাদনে আত্মনির্ভরতার পথে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্র সরকারের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’ কর্মসূচির আওতায় প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের দেশীয় উৎপাদনে যে জোর দেওয়া হচ্ছে, এই প্রকল্প তারই প্রতিফলন।

প্রতিরক্ষা সূত্রের খবর, নতুন হোভারক্রাফটটি বিশেষভাবে উপকূলীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। ভারতীয় উপকূলরেখা প্রায় ৭,৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ। এই বিশাল সামুদ্রিক এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুতগামী এবং বহুমুখী যানবাহনের প্রয়োজন হয়। নতুন হোভারক্রাফট সেই প্রয়োজন অনেকটাই পূরণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রতিরক্ষা মহলের একাংশের মতে, দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত এই হোভারক্রাফট শুধু একটি নতুন যান নয়, বরং ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিগত সক্ষমতারও প্রতীক। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন উপকূলীয় নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে, অন্যদিকে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পও নতুন উদ্দীপনা পাবে।ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর বহরে এই নতুন সংযোজন দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করে তুলবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe