জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতোয়ারে সদ্য ২ জনের গ্রেফতারি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ধৃত ২ জনের মধ্যে একজন হিজবুল জঙ্গি মুদাস্সির হুসেনের বাবা তারেক আহমেদ গিন্নু। জানা গিয়েছে, ধৃত আহমেদ গিন্নু, পেশায় বনদফতরের কর্মী।

রাত পোহালেই ফাদার্স ডে উপলক্ষ্যে গোটা বিশ্ব উৎসবের মেতে উঠতে চলেছে। এদিকে, তার আগে, সদ্য কাশ্মীরের কিশতোয়ার থেকে গ্রেফতার জঙ্গি মুদাস্সির হুসেনের বাবা তারেক আহমেদ গিন্নু। গ্রেফতার হয়েছে জঙ্গি শিবিরের আরও এক সদস্য মহম্মদ ইকবাল। কিশতোয়ারের দানচান এলাকার তান্দের থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। কিশতোওয়ারের এসএসপি নরেশ সিং-এর মতে, স্থানীয় সন্ত্রাসীদের সহায়তা ও তাদের কার্যকলাপে সহায়তা করার অভিযোগে ওই দুজনকে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের পর গ্রেফতার করা হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ১০৯ নম্বর ধারা, বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (UAPA)-এর ১৩, ১৬, ১৮, ১৯, ২০ ও ২৩ নম্বর ধারা এবং অস্ত্র আইনের ৭/২৭ নম্বর ধারার অধীনে কিশতওয়ার থানায় নথিভুক্ত এফআইআর (FIR) নং ১৬৭/২০২৫-এর প্রেক্ষিতে গিন্নুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর নিরাপত্তা বাহিনী তান্দের এলাকার কানজালগোথ জঙ্গলে একটি গোপন আস্তানার সন্ধান পায় এবং সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করে, এর মধ্যে ছিল ১৬টি সচল একে-৪৭ অ্যাসল্ট রাইফেলের কার্তুজ, দুটি আন্ডার-ব্যারেল গ্রেনেড লঞ্চার (ইউবিজিএল) গ্রেনেড এবং একটি সিলিন্ডার-আকৃতির ইউবিজিএল।
একই ধরনের অপরাধের দায়ে সম্প্রতি ছত্রু এলাকার বাসিন্দা মুনির আহমেদ ও মাশকুর আহমেদ নামে আরও দুই সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতারের পর এই নতুন ঘটনাটি সামনে এল। এসএসপি জানিয়েছেন, চলমান তদন্তের লক্ষ্য হল এই পুরো নেটওয়ার্কটিকে ভেঙে দেওয়া এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এর সঙ্গে জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় আনা।
{{/usCountry}}একই ধরনের অপরাধের দায়ে সম্প্রতি ছত্রু এলাকার বাসিন্দা মুনির আহমেদ ও মাশকুর আহমেদ নামে আরও দুই সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতারের পর এই নতুন ঘটনাটি সামনে এল। এসএসপি জানিয়েছেন, চলমান তদন্তের লক্ষ্য হল এই পুরো নেটওয়ার্কটিকে ভেঙে দেওয়া এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এর সঙ্গে জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় আনা।
{{/usCountry}}এরই মধ্যে, নিরাপত্তা বাহিনী হিজবুল মুজাহিদ্দিনের তিনজন সক্রিয় সন্ত্রাসীকে নির্মূল করতে একটি সমন্বিত তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে, এরা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কিশতওয়ারের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। পুলিশ এই তিনজনের ধরিয়ে দেওয়ার মতো তথ্যের জন্য জনপ্রতি ১০ লক্ষ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা ফের একবার করেছে। এই তিনজনের পরিচয় হল—মুদাসসির হোসেন, রিয়াজ আহমেদ (ওরফে হাজারি) এবং মোহাম্মদ আমিন (ওরফে জাহাঙ্গির সরুরি), উল্লেখ্য, জাহাঙ্গির সরুরি এই অঞ্চলে হিজবুলের দীর্ঘতম সময় ধরে টিকে থাকা কমান্ডার।