ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের জেরে ক্রমেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই ৫০০ ছাড়িয়েছে মৃতে সংখ্যা। অন্যদিকে, আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩০০০। বৃহস্পতিবার, ৩৯ সেকেন্ডের মধ্যে পর পর ২ বার রিখটার স্কেলে ৭ কম্পনের মাত্রায় কেঁপেছে ভেনেজুয়েলা। এদিকে, ঘটনার পরই, ভূমিকম্প বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার জন্য ভারত শুরু করল, ‘অপারেশন আমিস্তাদ’। এদিকে, বৃহস্পতিতে ভেনেজুয়েলা ভূমিকম্পে কাঁপার পর, আজ ফের ফিলিপিন্স নতুন করে কাঁপল ভূমিকম্পে। ফিলিপিন্স তার বিধ্বংসী ভূমিকম্পের স্মৃতি ফিরিয়ে ফের একবার কেঁপে ওঠে।

ফিলিপিন্স এদিন ফের একবার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে। রিখটার স্কেলে এদিন কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.৪। ফিলিপিন্সের মিন্ডানাও উপকূল এলাকা এদিন কেঁপে ওঠে ভূমিকম্পে।উল্লেখ্য, ফিলিপিন্সে তিন সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে এই ভূমিকম্প ঘিরে তুমুল চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয় ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৯ কিলোমিটার গভীরে।
এদিকে, ভেনেজুয়েলায় মৃত্যুমিছিল অব্যহত। সেখানে ৫০০ ছাড়িয়েছে মৃতের সংখ্যা। এদিকে, বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা ঘিরে ভারত শুরু করল ‘অপারেশন আমিস্তাদ’। স্প্যানিশে ‘আমিস্তাদ’ শব্দের অর্থ হল বন্ধুত্ব। আর সেই সূত্র ধরেই এই অভিযান শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, এই স্প্যানিশই ভেনেজুয়েলার সরকারি ভাষা।
ভারতীয় সেনার ২ টি এয়ারক্রাফ্টকে ভেনেজুয়েলার উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন যে, ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্প-পরবর্তী ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তার জন্য ভারতীয় বিমান বাহিনীর (IAF) দুটি সি-১৭ (C-17) ভারী মালবাহী পরিবহন বিমান জরুরি ত্রাণসামগ্রী নিয়ে গিয়েছে। ভারতের এই ত্রাণ কার্যক্রমের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন আমিস্তাদ’।
জয়শঙ্কর জানান, ভারতের পাঠানো সহায়তার মধ্যে রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি ফিল্ড হাসপাতাল ইউনিট এবং ৩৫ টনেরও বেশি ত্রাণসামগ্রী, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম। পরিবহন বিমানে করে যেসব সামগ্রী পাঠানো হয়েছে, তার মধ্যে ছিল দুটি ‘ভীষ্ম’ কিউব, এগুলি হল সরকারের তৈরি এক ধরনের মডুলার জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা। এই কিউবগুলো দ্রুত স্থাপনযোগ্য ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল হিসেবে কাজ করে, যা দুর্যোগ-পরবর্তী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘গোল্ডেন আওয়ার’ বা সংকটময় সময়ে জীবন বাঁচানোর লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে।
{{/usCountry}}জয়শঙ্কর জানান, ভারতের পাঠানো সহায়তার মধ্যে রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি ফিল্ড হাসপাতাল ইউনিট এবং ৩৫ টনেরও বেশি ত্রাণসামগ্রী, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম। পরিবহন বিমানে করে যেসব সামগ্রী পাঠানো হয়েছে, তার মধ্যে ছিল দুটি ‘ভীষ্ম’ কিউব, এগুলি হল সরকারের তৈরি এক ধরনের মডুলার জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা। এই কিউবগুলো দ্রুত স্থাপনযোগ্য ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল হিসেবে কাজ করে, যা দুর্যোগ-পরবর্তী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘গোল্ডেন আওয়ার’ বা সংকটময় সময়ে জীবন বাঁচানোর লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে।
{{/usCountry}}