পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের আবহে অনেক ভারতীয়ই আটকে পড়েছেন দুবাই সহ বহু জায়গায়। এই আবহে এবার দুবাইতে আটকে পড়া ভারতীয়দের জন্য নিজের বিল্ডিংয়ের দরজা খুলে দিলেন আল মিজান গ্রুপের চেয়ারম্যান যোগেশ দোশী। তাঁর সেই বিল্ডিংয়ে আছে ৬৪টি ফ্ল্যাট। দুবাইতে যে সকল ভারতীয় আটকে পড়েছেন, তাঁদের বিনামূল্যে সেখানে থাকতে দিচ্ছেন যোগেশ। এছাড়াও খাবারও সরবরাহ করা হচ্ছে সেই সব ভারতীয়দের।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতীয়দের ফোরাম এবং দুবাইয়ে অবস্থিত ভারতীয় কনস্যুলেটের ব্যবস্থাপনায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান যোগেশ। তাঁর এই ফ্ল্যাটগুলিতে ১২৫ জন ভারতীয়কে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। এদিকে দুবাইয়ের অদূরে আজমানেও এক ভারতীয় ব্যবসায়ী তাঁর ফার্মহাউজে আটকে পড়া ভারতীয়দের থাকার বন্দোবস্ত করেছেন। সেই ব্যবসায়ীর নাম ধীরজ জৈন। আটকে পড়া ভারতীয়দের সেই ফার্মহাউজে নিয়ে যেতে বা সেখান থেকে অন্যত্র নিয়ে যেতে নিজের ১১টি গাড়ি ব্যবহার করতে দিয়েছেন ধীরজ। এর মধ্যে ৬টি আবার রোলস রয়েস।
এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একাধিক স্থানে হামলা চালিয়েছিল ইরান। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এবং আবু ধাবির বহু হোটেল, ভবন, বন্দরে হামলা চালিয়েছে ইরান। দুবাইয়ের বন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইরানি মিসাইলের আঘাতে। এমনকী দুবাইয়ের বিমানবন্দরেও আছড়ে পড়েছে ইরানের মিসাইল। দুবাইয়ে মেরিনার টাওয়ার, বিলাসবহুল পাম জুমেইরা এলাকার ফেয়ারমন্ট দ্য পাম হোটেল, বুর্জ আল আরব হোটেল থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গিয়েছে। যদিও এই সব জায়গায় হামলার বিষয়টি সরকারি ভাবে স্বীকার করছে না আমিরাতি সরকার। শুধু তাই নয়, দুবাই বিমানবন্দরে হামলার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া সত্ত্বেও সে দেশের সরাকারি টিভি চ্যানেলে দাবি করা হয়েছে, বিমানবন্দরে নাকি কোনও হামলাই হয়নি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ইরানের দিক থেকে ধেয়ে আসা ড্রোন এবং মিসাইলগুলিকে প্রতিহত করার কাজ করছে তাদের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। তাদের হিসেব মতো ইরানের অধিকাংশ মিসাইল এবং ড্রোন তারা আকাশেই ধ্বংস করেছে। তবে সেই সব মিসাইল বা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে গিয়ে নাকি বেশ কিছু জায়গায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুবাইতে এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানি, শ্রীলঙ্কান, নেপালি নাগরিকদের মৃত্যু ঘটেছে ইরানের মিসাইলের ধ্বংসাবশেষে। সংযুক্ত আরব আমিরাত দাবি করেছে, যুদ্ধের প্রথম ১০ দিনে তারা অন্তত ১৫০০ ইরানি রকেট, ড্রোন ধ্বংস করেছে। এদিকে ইরানের সঙ্গে ইতিমধ্যেই তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এরই মাঝে আবার ইরাকের কুর্দ অধ্যুষিত এরবিলে আমিরাতি কনস্যুলেটে হামলা চালানো হয়েছে।
{{/usCountry}}সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ইরানের দিক থেকে ধেয়ে আসা ড্রোন এবং মিসাইলগুলিকে প্রতিহত করার কাজ করছে তাদের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। তাদের হিসেব মতো ইরানের অধিকাংশ মিসাইল এবং ড্রোন তারা আকাশেই ধ্বংস করেছে। তবে সেই সব মিসাইল বা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে গিয়ে নাকি বেশ কিছু জায়গায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুবাইতে এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানি, শ্রীলঙ্কান, নেপালি নাগরিকদের মৃত্যু ঘটেছে ইরানের মিসাইলের ধ্বংসাবশেষে। সংযুক্ত আরব আমিরাত দাবি করেছে, যুদ্ধের প্রথম ১০ দিনে তারা অন্তত ১৫০০ ইরানি রকেট, ড্রোন ধ্বংস করেছে। এদিকে ইরানের সঙ্গে ইতিমধ্যেই তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এরই মাঝে আবার ইরাকের কুর্দ অধ্যুষিত এরবিলে আমিরাতি কনস্যুলেটে হামলা চালানো হয়েছে।
{{/usCountry}}