ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যু হয়েছে। আইআরজিসি প্রধান এবং ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরও মৃত্যু হয়েছে। এরপরও হামলা জারি রেখেছে ইজরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যেই ইরান তাদের আইআরজিসির নতুন কমান্ডার-ইন-চিফের নাম ঘোষণা করেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, আহমদ ওয়াহিদিকে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নতুন প্রধান করা হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর তিনি আইআরজিসির ডেপুটি কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন।

ওয়াহিদি ১৯৫৮ সালের ২৭ জুন ইরানের শিরাজ শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি, শিল্প প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর এবং কৌশলগত স্টাডিজে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তাঁর আসল নাম আহমদ শাহচেরাগি। এর আগে ওয়াহিদি কুদস ফোর্সের প্রথম কমান্ডার ছিলেন ১৯৮৮ থেকে ১৯৯৮ পর্যন্ত। এই কুদস ফোর্স হল একটি আইআরজিসির শাখা। ইরানের বাইরে সামরিক ও গোয়েন্দা অভিযানের জন্য দায়ী।
ওয়াহিদি ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীও ছিলেন। তিনি ইব্রাহিম রাইসির শাসনামলে ২০২১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছিলেন। তিনি এক্সপেডিয়েন্সি ডিসকানেকশন কাউন্সিলের সদস্য এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটির সভাপতিও ছিলেন। আর এবার খামেনেইর মৃত্যুর পরে তিনি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মাথায় বসলেন।
১৯৯৪ সালে আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসে এএমআইএ ইহুদি কেন্দ্রে বোমা হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে এই ওয়াহিদি ইন্টারপোলের 'রেড নোটিশ' তালিকায় রয়েছেন। সেই হামলায় ৮৫ জন মারা গিয়েছিলেন। ওয়াহিদির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ওয়াহিদিকে ইরানের সামরিক কৌশলের মূল 'মাস্টারমাইন্ড' হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
এদিকে ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন এবং ইজরায়েলি হামলায় খামেনেইর মৃত্যু ঘটেছে। এই আবহে বিপ্লবের পরে এই প্রথম সংকটের মুখে ইরানের ইসলামি শাসন ব্যবস্থা। এই খামেনেই ছিলেন ইরানের ইসলামি শাসন ব্যবস্থার ইতিহাসে দ্বিতীয় দফার সর্বোচ্চ নেতা। অবশ্য সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার আগে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্টও থেকেছেন। এছাড়া আরও অনেক সরকারি পদে তিনি ছিলেন। এহেন খামেনেইর মৃত্যুর পরে কে হতে পারে ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা? এই নিয়ে জল্পনা এখন তুঙ্গে। ইরানের সংবিধান অনুসারে, ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ পরিষদ নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করবে। এই পদে আসীন হওয়ার দৌড়ে অনেক বিশিষ্ট নাম রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
{{/usCountry}}এদিকে ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন এবং ইজরায়েলি হামলায় খামেনেইর মৃত্যু ঘটেছে। এই আবহে বিপ্লবের পরে এই প্রথম সংকটের মুখে ইরানের ইসলামি শাসন ব্যবস্থা। এই খামেনেই ছিলেন ইরানের ইসলামি শাসন ব্যবস্থার ইতিহাসে দ্বিতীয় দফার সর্বোচ্চ নেতা। অবশ্য সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার আগে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্টও থেকেছেন। এছাড়া আরও অনেক সরকারি পদে তিনি ছিলেন। এহেন খামেনেইর মৃত্যুর পরে কে হতে পারে ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা? এই নিয়ে জল্পনা এখন তুঙ্গে। ইরানের সংবিধান অনুসারে, ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ পরিষদ নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করবে। এই পদে আসীন হওয়ার দৌড়ে অনেক বিশিষ্ট নাম রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
{{/usCountry}}