ইজরায়েল একা নয়, ইরানে হামলায় অংশ নিয়েছিল আমেরিকাও। এমনটাই জানা গিয়েছে। তেহরানে একাধিক জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটেছে ইতিমধ্যেই। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনেইর অফিসের কাছেও বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে হামলার সময় খামেনেই নিজের অফিসে উপস্থিত ছিলেন কিনা তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার নয়। তবে পরে জানা যায়, হামলার আবহে খামেনেইকে তেহরানেই একটি নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিকে তেহরান জুড়ে আরও বিস্ফোরণ হতেই খামেনেইর অফিসের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালেও ইরানে হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল। সেই সময় আমেরিকাও ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল। তখন মার্কিন প্রেসেডিন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বড় গলায় বলেছিলেন, ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলি গুঁড়িয়ে দিয়েছে তারা। তবে সাম্প্রতিককালে নতুন করে ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। এরই সঙ্গে ওমানে চলছে ইরান এবং আমেরিকার পরমাণু আলোচনা। এই সবের মাঝেই এই হামলা চালানো হল ইরানে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ফের একবার আলোচনার টেবিলে বসেছিল ইরান এবং আমেরিকার। তবে তারই মধ্যে ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধের সম্ভাবনা যেন ক্রমেই বাড়ছে। এই আবহে তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস একটি পরমার্শমূলক বিজ্ঞপ্তি জারি করে ভারতীয়দের ইরান ছাড়তে বলেছে। এর আগে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় গত জানুয়ারিতেও ইরানে থাকা ভারতীয়দের দেশ ছাড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। এদিকে সোমবারই ইজরায়েলে যাওয়ার কথা ছিল মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। এর আগেই ইরানে হামলা চালানো হল।
রিপোর্ট অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল সংখ্যক মার্কিন সেনা রয়েছে বর্তমানে। আমেরিকার দু'টি বিমানবাহী রণতরী, শতাধিক যুদ্ধবিমান, এক ডজন যুদ্ধজাহাজ আছে ইরানের কাছাকাছি। ওপেন সোর্স ট্র্যাকিং দেখা গিয়েছে যে, ১৫০টিরও বেশি কার্গো ফ্লাইট অস্ত্র এবং গোলাবারুদ বহন করে নিয়ে গিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। বেশ কয়েকটি এফ-২২, এফ-৩৫ এবং এফ-১৬ যুদ্ধবিমানকে ওই এলাকার দিকে যেতে দেখা গেছে। এরই সঙ্গে বেশ কয়েকটি জ্বালানী ভরানোর ট্যাঙ্কার বিমানও দেখা গেছে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে থাকা সৈনিকদেরও সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে সেখান থেকে। মার্কিন হামলা হলে ইরানের পালটা জবাবের আশঙ্কাতেই এই পদক্ষেপ আমেরিকা করছে বলে মনে করা হচ্ছে। এরই মাঝে মার্কিন কর্মকর্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছেন ইরানকে। পালটা হুঁশিয়ারি শোনা যাচ্ছে ইরানের তরফ থেকেও। সঙ্গে আলোচনা সফল করার বার্তাও দিচ্ছে তেহরান। তবে তেহরানের এই হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইরান কোন পদক্ষেপ করে, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
{{/usCountry}}রিপোর্ট অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল সংখ্যক মার্কিন সেনা রয়েছে বর্তমানে। আমেরিকার দু'টি বিমানবাহী রণতরী, শতাধিক যুদ্ধবিমান, এক ডজন যুদ্ধজাহাজ আছে ইরানের কাছাকাছি। ওপেন সোর্স ট্র্যাকিং দেখা গিয়েছে যে, ১৫০টিরও বেশি কার্গো ফ্লাইট অস্ত্র এবং গোলাবারুদ বহন করে নিয়ে গিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। বেশ কয়েকটি এফ-২২, এফ-৩৫ এবং এফ-১৬ যুদ্ধবিমানকে ওই এলাকার দিকে যেতে দেখা গেছে। এরই সঙ্গে বেশ কয়েকটি জ্বালানী ভরানোর ট্যাঙ্কার বিমানও দেখা গেছে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে থাকা সৈনিকদেরও সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে সেখান থেকে। মার্কিন হামলা হলে ইরানের পালটা জবাবের আশঙ্কাতেই এই পদক্ষেপ আমেরিকা করছে বলে মনে করা হচ্ছে। এরই মাঝে মার্কিন কর্মকর্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছেন ইরানকে। পালটা হুঁশিয়ারি শোনা যাচ্ছে ইরানের তরফ থেকেও। সঙ্গে আলোচনা সফল করার বার্তাও দিচ্ছে তেহরান। তবে তেহরানের এই হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইরান কোন পদক্ষেপ করে, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
{{/usCountry}}