...
...
Next Story

West Asia war: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আঁচ! ইরানে ফের হামলার ছক ট্রাম্পের? হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

West Asia war: যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সামরিক বিকল্প উপস্থাপন করা পেন্টাগনের জন্য স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ডোনাল্ড ট্রাম্পও নিয়মিতভাবে ইরান নিয়ে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেন।

Published on: Jul 01, 2026 01:37 PM IST
Advertisement

West Asia war: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত কয়েকদিনে ইরানের সঙ্গে সর্বাত্মক যুদ্ধে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে মত দিয়েছেন বলে জানা গেছে। শীর্ষ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা ট্রাম্পকে যুদ্ধ ‘শেষ করার’ জন্য বিভিন্ন সামরিক বিকল্পের বিষয়ে অবহিত করেন। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের সঙ্গে এ সব আলোচনায় ইরানে নতুন করে বড় আকারের হামলার সম্ভাবনাও উঠে এসেছে। তবে আপাতত সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু না করে কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প।

মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধের আঁচ!
মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধের আঁচ!

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সামরিক বিকল্প উপস্থাপন করা পেন্টাগনের জন্য স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ট্রাম্পও নিয়মিতভাবে ইরান নিয়ে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেন। তবে সাম্প্রতিক আলোচনা ইঙ্গিত দিচ্ছে, তিনি তেহরানের সঙ্গে অচলাবস্থা ভাঙার নতুন উপায় খুঁজছেন এবং সামরিক পথ পুরোপুরি বাতিল করেননি। অন্যদিকে, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট জনিয়েছেন, প্রয়োজনে ইরানের ওপর ফের সামরিক হামলা চালাতে দ্বিধাবোধ করবে না ইজরায়েল। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যখন উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক আলোচনা চলছে, ঠিক সেই মুহূর্তেই নেতানিয়াহুর এই হুংকার মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে নতুন করে জটিল করে তুলেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘প্রয়োজন হলে তৃতীয়বারও হামলা চালানো হবে।’ ইরানকে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হতে না দেওয়ার বিষয়ে ইজরায়েলের অবস্থান যে অনড়, তা আবারও স্পষ্ট করলেন তিনি।

‘চ্যানেল-১৪’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু জানান, অস্তিত্বের সঙ্কটে প্রতিরোধ করবেনই। ইজরায়েল আগে দু’বার ইরানে ঢুকেছে। আবার একই পদক্ষেপ করতে পিছপা হবে না ইজরায়েলি বাহিনী। তাঁর কথায়, ‘ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচতে আমরা দু’বার ইরানে প্রবেশ করেছি। প্রয়োজনে তৃতীয় বারও করব। যত দিন আমি প্রধানমন্ত্রী থাকব, তত দিন ইরানের হাতে কোনও পরমাণু অস্ত্র থাকবে না।’ চলতি বছরের ২৮ ফেব্রয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইজরায়েল হামলা শুরু করে ইরানে। এর পাল্টা জবাবে তেহরানও ইজরায়েলে ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালায়। দীর্ঘ আলোচনা মধ্যস্থতার পর অবশেষে ৬০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।

এদিকে মঙ্গলবার ফক্স নিউজে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, প্রেসিডেন্ট প্রশাসনকে আলোচনার ফলাফল দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে কূটনৈতিক সমাধান ব্যর্থ হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে এখনও একাধিক বিকল্প রয়েছে। একই দিনে ট্রাম্পের ইরানবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার নতুন দফার আলোচনার জন্য কাতারের দোহায় পৌঁছান। কাতারি কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, তাঁরা সরাসরি ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসেননি; মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা হয়েছে। এ সপ্তাহে দুই দেশের কারিগরি পর্যায়ের প্রতিনিধিদেরও একইভাবে পরোক্ষ আলোচনা করার কথা রয়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe