ভারতে ফের বাড়ানো হল পেট্রোল, ডিজেলের দাম। আজ সকাল থেকে কার্যকর করা হয়েছে নয়া রেট। সর্বশেষ আপডেট অনুসারে, দিল্লিতে পেট্রোলের দাম আজ প্রতি লিটারে ০.৮৭ টাকা বেড়ে ৯৮.৬৪ টাকা হয়েছে। কলকাতায় পেট্রলের দাম ৯৬ পয়সা বেড়ে ১০৯.৭০ টাকা হয়েছে এবং ডিজেলের দাম ৯৪ পয়সা বেড়ে হয়েছে ৯৬.০৭ টাকা। চেন্নাইয়ে পেট্রলের দাম লিটারে প্রতি ১০৪.৪৯ টাকা হয়েছে এবং ডিজেলের দাম ৯৬.১১ টাকা হয়েছে। মুম্বইতে পেট্রোল আজ থেকে বিকোচ্ছে ১০৭.৫৯ এবং ডিজেল ৯৪.০৮ টাকায়।

উল্লেখ্য, মাত্র পাঁচদিন আগেই পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম লিটার পিছু প্রায় ৩ টাকা করে বেড়েছিল। এই মূল্যবৃদ্ধির আগে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি সংস্থাগুলির দৈনিক লোকসান ১০০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছিল। আপাতত তা ৭৫০ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, ইরান যুদ্ধের জেরে জ্বালানি সরবরাহে ব্যাঘাত, ডলারের তুলনায় ভারতীয় মুদ্রার দাম কমার মতো বিষয়গুলির জন্য চাপে রয়েছে জ্বালানি সংস্থাগুলি।
প্রসঙ্গত, ইরানকে ঘিরে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত থামার কোনও ইঙ্গিত এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাস সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটেছে। এর জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারত যেহেতু জ্বালানি এবং সারের জন্য অনেকটাই আমদানির উপর নির্ভরশীল, তাই এই পরিস্থিতি দেশের অর্থনীতির উপর চাপ তৈরি করছে। তবে পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের আবহে সাধারণ মানুষের উপর বাড়তি চাপ দেওয়া থেকে বিরত থাকছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এই আবহে ফেব্রুয়ারিতে ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ১৫ মে পর্যন্ত পেট্রোল ও ডিজেলের খুচরো দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল দেশে। তবে সংঘাত যেহেতু আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে, তাই এবার খুচরো বাজারেও তেলের দাম কয়েকদিনের মাথায় বাড়ল দ্বিতীয়বার।
এদিকে বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয়ের জন্য ইতিমধ্যেই একাধিক মিতব্যয়ী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে জ্বালানির ব্যবহার কমানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। এদিকে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে ভারতীয় মুদ্রাতেও। মার্কিন ডলারের তুলনায় টাকার মূল্য কমেছে। পাশাপাশি জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে দেশে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কাও বাড়ছে।
{{/usCountry}}এদিকে বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয়ের জন্য ইতিমধ্যেই একাধিক মিতব্যয়ী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে জ্বালানির ব্যবহার কমানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। এদিকে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে ভারতীয় মুদ্রাতেও। মার্কিন ডলারের তুলনায় টাকার মূল্য কমেছে। পাশাপাশি জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে দেশে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কাও বাড়ছে।
{{/usCountry}}