...
...
Next Story

Meta on CSEAM: ইনস্টাগ্রামে শিশু হেনস্থার কন্টেন্ট দেখে খড়্গহস্ত কেন্দ্র, কী জবাব দিল মেটা?

Meta on CSEAM: সম্প্রতি মেটা-কে নোটিস ধরায় কেন্দ্রীয় সরকার। ইন্সটাগ্রামে শিশুদের নিয়ে আপত্তিকর বিজ্ঞাপন প্রচারের অভিযোগ শনিবারই মেটার কাছে জবাবদিহি চাওয়া হয়েছিল।

Published on: Jul 07, 2026 10:41 PM IST
Advertisement

Meta on CSEAM: ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন প্রকাশের অভিযোগে মেটাকে কড়া নোটিস পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। অবশেষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের নোটিসের জবাব দিল মেটা। এক বিবৃতিতে এই বিগ টেক জায়ান্ট জানিয়েছে, তারা এই সংক্রান্ত রিপোর্টগুলো সম্পর্কে অবগত এবং বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছে। মেটা আরও দাবি করেছে যে, বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার আগেই তাদের সিস্টেম বেশ কিছু 'নীতি লঙ্ঘনকারী বিজ্ঞাপন' নিষ্ক্রিয় (ডিসেবল) করে দিয়েছিল।

কী জবাব দিল মেটা? (REUTERS)
কী জবাব দিল মেটা? (REUTERS)

শিশু যৌন নির্যাতনকে একটি 'ভয়াবহ অপরাধ' হিসেবে উল্লেখ করে মেটা বলেছে, 'ভারতে ইনস্টাগ্রামের কিছু বিজ্ঞাপন আমাদের শিশু নির্যাতন বিরোধী নীতি লঙ্ঘন করেছে বলে যে সাম্প্রতিক খবর চাউর হয়েছে, সে সম্পর্কে আমরা সচেতন। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই-আমরা এই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছি, আমাদের প্ল্যাটফর্মে এমন কনটেন্ট বা বিষয়বস্তু আমরা কখনোই চাই না এবং এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রচেষ্টা আরও জোরদার করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।' সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, 'বিষয়টি আমাদের নজরে আনার আগেই, আমাদের এনফোর্সমেন্ট সিস্টেম বেশ কিছু নীতি লঙ্ঘনকারী বিজ্ঞাপন এবং সেগুলোর পেছনে থাকা অ্যাকাউন্টগুলোকে চিহ্নিত করে নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছিল।'

মেট জানিয়েছে, পরবর্তী তদন্তের পর অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মেটা আরও স্পষ্ট করে বলেছে, 'মেটা জেনেবুঝে ও ইচ্ছাকৃতভাবে শিশুদের অনুপযুক্ত প্রতি আগ্রহ রয়েছে এমন ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে (টার্গেট করে) শিশুদের ফিচার করা বিজ্ঞাপন প্রচার করবে-এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল ও অসত্য।' এই প্রযুক্তি সংস্থাটি জানিয়েছে, শিশুদের সঙ্গে সম্পর্কিত সম্ভাব্য সন্দেহজনক কার্যকলাপের অ্যাকাউন্টগুলো সনাক্ত করতে তারা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এবং এর মাধ্যমে ২০২৫ সালেই প্রায় ৪০ লক্ষ অ্যাকাউন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে (অটোমেটিক্যালি) মুছে ফেলা হয়েছে।

মেটাকে নোটিস কেন্দ্রের

সম্প্রতি বিবিসি-র একটি রিপোর্টে দাবি করা হয় যে মেটা-র রেকমেন্ডেশন অ্যালগরিদমে শিশুদের নিয়ে বিভিন্ন আপত্তিকর ভিডিও দেখানো হচ্ছে। ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রামে এই ধরনের বিজ্ঞাপন দেখা গিয়েছে। এদিকে মেটা-র বিজ্ঞাপন পলিসিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে তারা কোনও ধরনের নগ্নতা ও যৌন নিগ্রহ সংক্রান্ত ভিডিয়ো কনটেন্ট দেখানো নিষিদ্ধ। বিবিসি-র রিপোর্টের পর মেটা জানায়, এই ধরনের ঘটনায় জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে তাদের। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় হিংস্র ও আপত্তিকর ভিডিও চিহ্নিত করার জন্য।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe