বাংলাদেশে জামাতের সঙ্গে এনসিপির জোট মেনে নিতে পারেননি দলের অনেকেই। এই আবহে তাসনিম জারার মতো অনেকেই নির্বাচনের আগে দল থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। পরে জামাতের পায়ের পাশে থেকে মাত্র ৩০টির মতো আসনে লড়াই করে এনসিপি। তাতে তাদের ঝুলিতে এসেছে মাত্র ৬টি আসন। তাদের তাবড় তাবড় বেশ কয়েকজন নেতাও জিততে পারেননি ভোটে। এই আবহে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছে এনসিপি।

এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া দাবি করেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল কারচুপি করা হচ্ছে। এই আবহে বেশ কিছু আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি করেছে তারা। তিনি অভিযোগ করেন, বেসরকারি ফলাফলে এনসিপি প্রার্থী এগিয়ে থাকা সত্ত্বেও কিছু স্থানে 'মব' সৃষ্টি করা হয়েছে। এমনও দাবি করা হয়, পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণার আগেই বিএনপি প্রার্থীরা নাকি নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করে 'মানসিক চাপ' সৃষ্টি করতে চাইছে। যদিও এত কিছু দাবি করলেও এনসিপি প্রতিদ্বন্দ্বিতার কোনও জায়গায়তেই ছিল না এই নির্বাচনে। তাদের জামাত জোট সেঞ্চুরির আশেপাশেও নেই। সেখানে বিএপনি একচেটিয়া ভাবে জয়ী হয়েছে বাংলাদেশদু জুড়ে।
বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, এনসিপির অন্যতম 'মুখ' নাসিরউদ্দিন পাটওয়ারি হেরেছেন পাঁচ হাজার ভোটের ব্যবধানে। তাঁকে হারিয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস। এই আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে মোট ভোট পড়ে ৫৯ হাজার ৩৬৬টি। আর এনসিপির নাসিরউদ্দিন ৫৪ হাজার ১২৭টি ভোট পেয়েছেন এই কেন্দ্রে। এদি পঞ্চগড়-১ আসনে হেরেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রাক্তন আহ্বায়ক তথা এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। এই আসনে সারজিস আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকে লড়াই করা বিএনপি প্রার্থী মহম্মদ নওশাদ জমির পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৯ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৮ হাজার ১২০।
এদিকে ঢাকা-১১ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে ২ হাজার ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। নাহিদ ইসলামের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট। আর নাহিদ ইসলাম শাপলা প্রতীকে ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়েছেন। কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জয়ী হয়েছেন এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহ। ভারত-বিরোধী মৌলবাদী নেতা হিসেবে পরিচিত এই হাসনাত। এই আসনে প্রায় ১ লাখ ৭২ হাজার ভোট পেয়েছিলেন হাসনাত। এই আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছিল নির্বাচনের আগেই। এই আবহে সেভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তেই হয়নি হাসনাতকে।
{{/usCountry}}এদিকে ঢাকা-১১ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে ২ হাজার ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। নাহিদ ইসলামের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট। আর নাহিদ ইসলাম শাপলা প্রতীকে ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়েছেন। কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জয়ী হয়েছেন এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহ। ভারত-বিরোধী মৌলবাদী নেতা হিসেবে পরিচিত এই হাসনাত। এই আসনে প্রায় ১ লাখ ৭২ হাজার ভোট পেয়েছিলেন হাসনাত। এই আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছিল নির্বাচনের আগেই। এই আবহে সেভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তেই হয়নি হাসনাতকে।
{{/usCountry}}