...
...
Next Story

Pak Spy: গুপ্তচর নেটওয়ার্কের পর্দা ফাঁস, দিল্লিতে বসানো হয় ২টি ক্যামেরা, ভিডিয়ো যেত পাকিস্তান-ব্রিটেন-মালয়েশিয়ায়

ভারতের সামরিক ঘাঁটি এবং স্পর্শকাতর স্থানের ভিডিয়ো তুলে তারা পাকিস্তান, ব্রিটেন এবং মালয়েশিয়ার নম্বরে পাঠিয়েছিল। এই গুপ্তচর দলটি দিল্লির দুটি জায়গায় সৌর চালিত ক্যামেরা বসিয়েছিল, যার মধ্যে একটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তরা তাদের পাকিস্তানি হ্যান্ডলারকে 'সর্দার' নামে ডাকত।

Published on: Mar 16, 2026, 08:40:52 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহে গাজিয়াবাদ থেকে সম্প্রতি ধরা হয়েছিল ৬ জনকে। এবার জানা গেল, শুধু পাকিস্তান নয়, ব্রিটেন এবং মালয়েশিয়াতেও গোপন তথ্য পাচার করেছে তারা। ভারতের সামরিক ঘাঁটি এবং স্পর্শকাতর স্থানের ভিডিয়ো তুলে তারা পাকিস্তান, ব্রিটেন এবং মালয়েশিয়ার নম্বরে পাঠিয়েছিল। এই গুপ্তচর দলটি দিল্লির দুটি জায়গায় সৌর চালিত ক্যামেরা বসিয়েছিল, যার মধ্যে একটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তরা তাদের পাকিস্তানি হ্যান্ডলারকে 'সর্দার' নামে ডাকত।

এই গুপ্তচর দলটি দিল্লির দুটি জায়গায় সৌর চালিত ক্যামেরা বসিয়েছিল (HT_PRINT)
এই গুপ্তচর দলটি দিল্লির দুটি জায়গায় সৌর চালিত ক্যামেরা বসিয়েছিল (HT_PRINT)

উল্লেখ্য, গত ১৪ মার্চ গাজিয়াবাদের কৌশাম্বী থানার পুলিশ মিরাটের পার্তাপুরের বাসিন্দা সুহেল মালিক ওরফে রোমিও, সম্বলের জ্ঞানপার সিসাউনা গ্রামের বাসিন্দা সানে ইরাম ওরফে মেহক এবং ভোয়াপুরের প্রবীণ, রাজ বাল্মীকি, শিব বাল্মীকি এবং হৃতিক গাঙ্গোয়ারকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনে দিল্লির সেনা, বিএসএফ, সিআরপিএফ-এর দফতর সহ বিভিন্ন সংবেদনশীল স্থানের ৫০টিরও বেশি ভিডিয়ো পাওয়া গিয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, পাকিস্তানে বসে থাকা 'সর্দার' জায়গার নাম বলে দিয়ে সেখানকার ভিডিয়ো ও লোকেশন চাইত। বিনিময়ে, তিনি ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত দিত। সানে ইরাম ওরফে মেহকের মাধ্যমে গ্যাংয়ে নতুন সদস্য যুক্ত করা হত। 'সর্দার'-এর নির্দেশে দিল্লির দু'জায়গায় সৌরশক্তি চালিত ক্যামেরা বসানো হয়েছিল। তাদের মাধ্যমে সরাসরি নজরদারি চালানো হত। এর পাশাপাশি গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন থেকে ব্রিটেন ও মালয়েশিয়ার নম্বরও পাওয়া গেছে। সেই নম্বরেও তারা ভিডিয়ো ও ছবি পাঠিয়েছে। 'সর্দার'-এর নির্দেশে গুপ্তচরদের টাকা দিত সুহেল। সেই লেনদেন হত নগদে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe