পাকিস্তানপন্থী জামাতে ইসলামি হেরে গিয়েছে বাংলাদেশের নির্বাচনে। জয়ী হয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি। সেই ফলাফলের পরে বার্তা দিল পাকিস্তান। এই নিয়ে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি এক বিবৃতিতে বলেন, 'বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রত্যাশার প্রতি পাকিস্তানের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।' বাংলাদেশে গঠিত হতে চলা সরকারের সঙ্গে পাকিস্তান বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার বার্তা দিয়েছেন পাক রাষ্ট্রপতি। এদিকে ঢাকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি দক্ষিণ এশিয়ায় 'ভারসাম্য' স্থাপন করবে বলে আশা ব্যক্ত করে পাকিস্তান।

এদিকে বাংলাদেশ নিয়ে বার্তা দিতে গিয়ে ভারতের নামে 'নালিশ' করেন জারদারি। সার্ক পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে বার্তা দিয়েছেন তিনি। বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় নিয়ে তারেককে পারস্পরিক সহযোগিতার বার্তা দেন জারদারি। এদিকে পৃথক এক বার্তায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির তারেক রহমানকে। নিজের বার্তায় শেহবাজ বলেন, 'আমি বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে উন্মুখ। আমাদের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বহুমুখী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে এবং দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বজুড়ে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের অভিন্ন লক্ষ্য পূরণে আমরা একসঙ্গে কাজ করব।'
এদিকে ভোটে জয় নিশ্চিত হতেই তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারেকের উদ্দেশ্যে বার্তায় মোদী বলেন, 'বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে নির্ণায়ক বিজয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি জনাব তারেক রহমানকে আমার উষ্ণ অভিনন্দন জানাই। এই জয় আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার পরিচয় দেয়। ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়াবে। আমাদের বহুমুখী সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে আগ্রহী। আমাদের সাধারণ উন্নয়ন লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে আমি আপনার সাথে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি।'
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে পাকপন্থী জামাতকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছিল বিএনপি। জামাতকে স্বাধীনতি বিরোধী শক্তি হিসেবে আখ্যা দিয়ে তোপ দেগেছেন বিএনপি নেতারা। এর আগে অবশ্য বিএনপির সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতায় থেকেছে জামাতে ইসলামি। তবে আওয়ামী লীগ বিহীন নির্বাচনে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করে জামাত। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই নির্বাচন জামাতের জন্য সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ছিল। তবে বিএনপির ঝড়ে তারা উড়ে যায়। এবং আওয়ামী লীগ পরবর্তী সময়ে বিএনপি-ও মুক্তিযুদ্ধে জামাতের ভূমিকাকে ইস্যু করে তুলেছে।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে পাকপন্থী জামাতকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছিল বিএনপি। জামাতকে স্বাধীনতি বিরোধী শক্তি হিসেবে আখ্যা দিয়ে তোপ দেগেছেন বিএনপি নেতারা। এর আগে অবশ্য বিএনপির সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতায় থেকেছে জামাতে ইসলামি। তবে আওয়ামী লীগ বিহীন নির্বাচনে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করে জামাত। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই নির্বাচন জামাতের জন্য সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ছিল। তবে বিএনপির ঝড়ে তারা উড়ে যায়। এবং আওয়ামী লীগ পরবর্তী সময়ে বিএনপি-ও মুক্তিযুদ্ধে জামাতের ভূমিকাকে ইস্যু করে তুলেছে।
{{/usCountry}}