ভারতের প্রতিবেশী দেশ শ্রীলঙ্কাতেও জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। ইরান যুদ্ধের আবহে শ্রীলঙ্কায় তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। ৯ মার্চ মধ্যরাত থেকে নয়া দরে তেল বিকোচ্ছে এই দ্বীপরাষ্ট্রে। রিপোর্ট অনুযায়ী, অক্টেন৯২ পেট্রোলের দাম ২৪ টাকা বাড়িয়ে ৩১৭ টাকা (ভারতীয় মুদ্রায় ৯৪.২৭) করা হয়েছে। এদিকে অক্টেন৯৫ পেট্রোলের দাম ২৫ টাকা বাড়িয়ে ৩৬৫ টাকা (ভারতীয় মুদ্রায় ১০৮.৫৫ টাকা) করা হয়েছে।

দাম বাড়ানো হয়েছে ডিজেলেরও। শ্রীলঙ্কায় অটো ডিজেলের দাম ২২ টাকা বাড়িয়ে ৩০৩ টাকা (ভারতীয় মুদ্রায় ৯০.১১) করা হয়েছে। অপরদিকে সুপার ডিজেলের দাম ২৪ টাকা বাড়িয়ে ৩৫৩ টাকা (ভারতীয় মুদ্রায় ১০৪.৯৮) করা হয়েছে। এদিকে শ্রীলঙ্কাতে কেরোসিনেরও দাম বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, কেরোসিনের দাম ১৩ টাকা বাড়িয়ে ১৯৫ (ভারতীয় মুদ্রায় ৫৭.৯৯ টাকা) করা হয়েছে।
এদিকে দু'দিন আগেই পাকিস্তানে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছিল। পাকিস্তানে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৫৫ টাকা বেড়েছে। এর জেরে সে দেশে পেট্রোলের দাম প্রতি লিটারে ৩২১ টাকা (ভারতীয় মুদ্রায় ১০৫.৯৩) এবং হাই-স্পিড ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৩৩৬ টাকা (ভারতীয় মুদ্রায় ১১০.১৮) হয়েছে।
এদিকে এত কিছুর মাঝেও ভারতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়েনি। কলকাতায় এক লিটার পেট্রোল বিকোচ্ছে ১০৫.৪১ টাকায় এবং ডিজেল বিকোচ্ছে ৯২.০২ টাকায়। যদিও দেশে রান্নার গ্যাসের দাম বেড়েছে সম্প্রতি। ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের কারণে ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৬০ টাকা বেড়েছে। এদিকে বাণিজ্যিক রান্নার সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ১১৫ টাকা। এই আবহে দিল্লিতে ১৪.২ কেজি ওজনের ঘরোয়া সিলিন্ডার দাম বেড়ে ৯১৩ টাকা হয়েছে, কলকাতায় তা হয়েছে ৯৩৯ টাকা। কলকাতায় ১৯ কেজি ওজনের বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ১৯৯০ টাকা।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে হরমুজ প্রণালীতে কয়েকশো তেলের ট্যাঙ্কার আটকে আছে। এর মধ্যে ভারতেরও ৩০টিরও বেশি জাহাজ রয়েছে। এর ফলে আগামী দিনে ভারতসহ সারা বিশ্বে তেলের সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। ভারতের প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেলের আমদানি হরমুজ প্রণালী থেকে আসে। এটা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল রফতানি রুট। এবং এই রুটটি প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার জেরে অন্য বিকল্পের খোঁজে গোটা বিশ্ব। উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান ৯টি ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে। এই ৯টি জাহাজেই ভারতীয় ক্রু ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এই আবহে এখান দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে বিভিন্ন দেশের ওপর।
{{/usCountry}}রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে হরমুজ প্রণালীতে কয়েকশো তেলের ট্যাঙ্কার আটকে আছে। এর মধ্যে ভারতেরও ৩০টিরও বেশি জাহাজ রয়েছে। এর ফলে আগামী দিনে ভারতসহ সারা বিশ্বে তেলের সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। ভারতের প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেলের আমদানি হরমুজ প্রণালী থেকে আসে। এটা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল রফতানি রুট। এবং এই রুটটি প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার জেরে অন্য বিকল্পের খোঁজে গোটা বিশ্ব। উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান ৯টি ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে। এই ৯টি জাহাজেই ভারতীয় ক্রু ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এই আবহে এখান দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে বিভিন্ন দেশের ওপর।
{{/usCountry}}