...
...
Next Story

তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১৫০ মিলিয়ন ডলারে ঠেকবে? ইরানকে আড়ালে ইন্টেল দিচ্ছে কোন দেশ? প্রকাশ্যে এল রিপোর্ট

ইরান যুদ্ধ ঘিরে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে।

Published on: Mar 6, 2026, 19:06:17 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

ইরান যুদ্ধের জেরে স্তব্ধ হরমুজ প্রণালী। একের পর এক দেশের তেলবাহী ট্যাঙ্কার সেখানের জলপথে রয়েছে আটকে। এছাড়াও, সৌদি, আরব আমিরশাহির মতো একাধিক তেলের দেশে ইরানের হামলার ফলে তেল ঘিরে ব্যাপক উদ্বেগ গোটা বিশ্বে। এদিকে, যুদ্ধও থামার নাম নেই! এমন অবস্থায় তেলের দাম নিয়ে বড়সড় আশঙ্কার কথা শোনালেন কাতারের মন্ত্রী সাদ আল কাবি। এদিকে, পশ্চিম এশিয়ায় যে ইরান, একের পর এক দেশে হানা দিচ্ছে, এবং আমেরিকার ঘাঁটি গুলিতেই হামলা করছে, তা নিয়েও বড় বার্তা উঠে এসেছে ওয়াশিংটন পোস্টের রিপোর্টে।

তেলের দাম ১৫০ মিলিয়ন ডলারে ঠেকবে? ইরানকে আড়ালে ইন্টেল দিচ্ছে কারা? এল রিপোর্ট (Photo by Ibrahim AMRO / AFP) (AFP)
তেলের দাম ১৫০ মিলিয়ন ডলারে ঠেকবে? ইরানকে আড়ালে ইন্টেল দিচ্ছে কারা? এল রিপোর্ট (Photo by Ibrahim AMRO / AFP) (AFP)

তেলের দাম উর্ধ্বমুখী!

কাতারের মন্ত্রী সাদ আল কাবি, আশঙ্কার সুরে বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে আর দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছে যাবে। যা নিঃসন্দেহে একের পর এক দেশকে মাথায় হাত ফেলতে বাধ্য করবে! আল-কাবির সবচেয়ে তীব্র সতর্কবার্তা ছিল বৃহত্তর বিশ্ব অর্থনীতির জন্য। উপসাগরীয় উৎপাদকরা কেবল তেল ও গ্যাসই সরবরাহ করেন না, বরং বিপুল পরিমাণে পেট্রোকেমিক্যাল এবং সার ফিডস্টকও সরবরাহ করেন যা বিশ্বব্যাপী উৎপাদন সরবরাহ শৃঙ্খলে খাদ্য সরবরাহ করে। তিনি ফিনান্সিয়াল টাইমসকে বলেন ‘এটি বিশ্বের অর্থনীতির পতন ঘটাবে।’ তিনি বলেন, ‘,যদি এই যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে থাকে, তাহলে বিশ্বজুড়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধির উপর প্রভাব পড়বে। সকলের জ্বালানির দাম আরও বেড়ে যাবে।’ কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী আল কবির পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান সংঘাতের ফলে অর্থনৈতিক পতনের বিষয়ে তীব্র আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, সতর্ক করে দিয়েছেন যে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১৫০ ডলারে উঠতে পারে।

এদিকে, ওয়াশিংটন পোস্টের এক রিপোর্ট দাবি করছে, পশ্চিম এশিয়ায় ইরান যে একের পর এক দেশে হামলা করছে, যেখানে যেখানে মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে সেখানে হামলা করছে, তার নেপথ্যে রয়েছে রাশিয়ার পাঠানো ইন্টেল (গোয়েন্দা তথ্য)। রিপোর্ট বলছে, পশ্চিম এশিয়ায় কোথায় কোথায় আমেরিকার ঘাঁটি রয়েছে, তার গোয়েন্দা তথ্য ইরানকে তুলে দিচ্ছে রাশিয়া। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বিশ্লেষকরা বলেছেন যে রাশিয়ার সহায়তা ইরানকে, মার্কিন কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ সুবিধা, রাডার সিস্টেম এবং অস্থায়ী কাঠামো সহ নির্দিষ্ট মার্কিন সামরিক অবকাঠামোতে আঘাত করার ক্ষমতাকে খানিকটা ব্যাখ্য়া করতে সাহায্য করতে পারে।

রিপোর্ট বলছে, যেসব লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের একটি সিআইএ স্টেশন। কুয়েতে ইরানি ড্রোন হামলায় ছয়জন আমেরিকান সেনা নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

এদিকে, দেখা যাচ্ছে, ইরান যুদ্ধ নিয়ে খোলাখুলি মার্কিনি সমালোচনায় নামে রাশিয়া। তারা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির মৃত্যুরও বেশ সমালোচনা করে, ইরানের সপক্ষে থেকে। কূটনৈতিক আঙিনায় দেখতে গেলে, ইরানের অন্যতম বড় সঙ্গী রাশিয়া। তবে এত কিছুর পরও রাশিয়া এই যুদ্ধে সরাসরি নাক গলাচ্ছে না বা মধ্যস্থতার বার্তা দিচ্ছে না।

রিপোর্টের দাবি, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে, রাশিয়া এবং ইরান বাণিজ্য, সামরিক সহযোগিতা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি এবং শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তিটি প্রতিরক্ষা এবং গোয়েন্দা সমন্বয়কে আরও গভীর করে এবং যৌথ অবকাঠামো প্রকল্পগুলিকে সমর্থন করে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe