হিন্দু পুলিশকে জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম - থানায় বসে তড়পানো বাংলাদেশি 'বিপ্লবী'-কে গ্রেফতার করা হল। ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সন্তোষ চৌধুরী নামে পুলিশ অফিসারকে হত্যা করা হয়েছিল। আর তা নিয়ে থানায় বসে পুলিশকে হুমকি দিতে দেখা গিয়েছিল এক বাংলাদেশি ‘বিপ্লবী’-কে। সেই ঘটনায় তুমুল সমালোচনার মুখে পড়ে অবশেষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মেহদি হাসানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয়েছে ওই 'বিপ্লবী'-কে। সমালোচনার মুখে যে 'বিপ্লবী'-কে আপাতত 'বসিয়ে' দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কর্তৃপক্ষ।

আর পুরো বিষয়টির সূত্রপাত হয় বৃহস্পতিবার। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার আটক করা হয় এনামুন হাসান নামে এক যুবককে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের দাবি, শায়েস্তাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলিগের সহ-সভাপতি এনামুল শিবির পালটে নেন। যোগ দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে। তবে বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে পাকড়াও করা হয় নিষিদ্ধ ছাত্রলিগের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে।
পুলিশ হাতের পুতুল, হুংকার দেয় ‘বিপ্লবী’
সেই 'দলবদলু' এনামুলকে ছাড়ানোর জন্য শুক্রবার পুলিশকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে মেহদির বিরুদ্ধে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা যায়, শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসিকে ধমকাচ্ছে মেহদি। তাকে বলতে শোনা যায়, জুলাই আন্দোলনের মধ্যে সরকার গঠন করা হয়েছে। পুলিশ তাদের হাতের পুতুল। অথচ তাদেরই ছেলেকে পুলিশ কেন গ্রেফতার করে এনেছে, তা ধমকাতে থাকে মেহদি।
হিন্দু পুলিশকে পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, হুমকি দেয় ‘বিপ্লবী’
একটা সময় ‘বিপ্লবী’-কে বলতে শোনা যায়, ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম। এসআই সন্তোষকে (সন্তোষ চৌধুরী) কিন্তু আমরা জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম।' আর সেই ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার পরেই চরম সমালোচনার মুখে পড়ে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সেই সমালোচনার মুখে মেহদিকে গ্রেফতার করা হয়। যদিও সেটা সত্যিকারের গ্রেফতারি নাকি নেহাতই আইওয়াশ, তা নিয়ে ধন্দ আছে।
পিটিয়ে হত্যা হিন্দু অফিসারকে, তারপর দেহ ঝোলানো হয় গাছে
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অগস্টে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল হিন্দু পুলিশ অফিসারকে। অভিযোগ উঠেছিল যে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করতেন এই হিন্দু অফিসার। সেজন্য তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল। বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেছে-বেছে খুন করা হয়েছিল হিন্দু পুলিশ অফিসারকে। থানা চত্বরেই তাঁকে পিটিয়ে খুব করা হয়েছিল। আর তাঁর মৃতদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল গাছে।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অগস্টে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল হিন্দু পুলিশ অফিসারকে। অভিযোগ উঠেছিল যে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করতেন এই হিন্দু অফিসার। সেজন্য তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল। বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেছে-বেছে খুন করা হয়েছিল হিন্দু পুলিশ অফিসারকে। থানা চত্বরেই তাঁকে পিটিয়ে খুব করা হয়েছিল। আর তাঁর মৃতদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল গাছে।
{{/usCountry}}