রাজ্যের ডিজিপি পীযূষ পাণ্ডে এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে পদ থেকে সরিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর আগে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশপ্রসাদ মীনাকে পদ থেকে সরানো হয় রবিবার রাতেই। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষোভ প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। এই আবহে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করল তৃণমূল কংগ্রেস।

এই নিয়ে রাজ্যসভায় তৃণমূলের দলনেতা ডেরেক ও ব্রায়েন বলেন, 'গভীর রাতে মুখ্যসচিব, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি, স্বরাষ্ট্রসচিবকে নির্বাচন কমিশন সরিয়ে দিয়েছে। তারা তাদের সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করছে।' এদিকে শতাব্দী রায় বলেন, 'বিজেপি নির্বাচনে জেতার জন্য সকল কৌশল অবলম্বন করছে। তারা সরকারি সম্পদের অপব্যবহার করছে। এই কারণে মুখ্য সচিবকে অপসারণ করা হয়েছে। জনগণ তৃণমূলের সাথে আছে।'
পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয় ১৫ মার্চ। আর সেদিনই গভীর রাতে বড় পদক্ষেপ করে নির্বাচন কমিশন। নন্দিনী চক্রবর্তীর জায়গায় রাজ্যের মুখ্যসচিব হিসেবে দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকে নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। জগদীশপ্রসাদ মীনার জায়গায় সংঘমিত্রা ঘোষকে স্বরাষ্ট্রসচিব করেছে কমিশন। এদিকে পীযুষ পাণ্ডের জায়গায় নতুন ডিজি হলেন সিদ্ধিনাথ গুপ্ত। এবং সুপ্রতিম সরকারের বদলে কলকাতা পুলিশের নয়া কমিশনার অজয় নন্দ।
এর আগে অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক চিঠি পাঠিয়ে জানতে চেয়েছিলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারির পর রাজ্যে কোন কোন পুলিশ আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এছাড়াও জানতে চাওয়া হয়েছিল, অবসরের পরে কোনও পুলিশ আধিকারিককে বর্তমানে কোনও পদ দেওয়া হয়েছে কি না। এছাড়া ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসা, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে, ভোটের দিন এবং ভোটের পরে অশান্তির সময় থানার দায়িত্বে থাকা পুলিশ অফিসারদের তালিকাও চাওয়া হয়েছিল।