ভারত চিরকাল শান্তির পক্ষে অবস্থান নিয়ে এসেছে। এই আবহে ভারতে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত একটি বড় মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে। তাঁর কথায়, ইরান ও ইজরায়েলকে মোদী একটি ফোন করলেই পশ্চিম এশিয়ার এই যুদ্ধ থেমে যেতে পারে। উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন মোদী। সেখানে তাঁকে সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছিল। ইরানের সংসদে মোদী ভাষণ দিয়েছিলেন। বিরোধ ভুলে মোদীর ভাষণের সময় বিরোধীরাও উপস্থিত ছিলেন সংসদে। এরপর প্রধানমন্ত্রী এরপর ভারতে ফিরতে না ফিরতেই ইরানের ওপর হামলা হয়েছিল।

এই আবহে আমিরাতি দূত হুসেন হাসান মির্জা বলেন, 'ইরান ও ইজরায়েলের রাষ্ট্রপ্রধানদের মোদী একটি ফোন করলেই এই সমস্যার সমাধান হতে পারে।' তিনি জানান, ইজরায়েল-ইরান এই যুদ্ধে সংযুক্ত আরব আমিরাত কোনও ভাবেই যুক্ত হতে চায় না। তিনি বলেন, 'তারা আমাদের মাটিতে দাঁড়িয়ে একে অপরের সঙ্গে লড়ছে। এটা কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।' এরই সঙ্গে মোদীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির পাশাপাশি ইরান, ইজরায়েল এবং আমেরিকার কাছে মোদীর গ্রহণযোগ্যতা সমান।
এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একাধিক স্থানে হামলা চালিয়েছিল ইরান। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এবং আবু ধাবির বহু হোটেল, ভবন, বন্দরে হামলা চালিয়েছে ইরান। দুবাইয়ের বন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইরানি মিসাইলের আঘাতে। এমনকী দুবাইয়ের বিমানবন্দরেও আছড়ে পড়েছে ইরানের মিসাইল। দুবাইয়ে মেরিনার টাওয়ার, বিলাসবহুল পাম জুমেইরা এলাকার ফেয়ারমন্ট দ্য পাম হোটেল, বুর্জ আল আরব হোটেল থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গিয়েছে। যদিও এই সব জায়গায় হামলার বিষয়টি সরকারি ভাবে স্বীকার করছে না আমিরাতি সরকার। শুধু তাই নয়, দুবাই বিমানবন্দরে হামলার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া সত্ত্বেও সে দেশের সরাকারি টিভি চ্যানেলে দাবি করা হয়েছে, বিমানবন্দরে নাকি কোনও হামলাই হয়নি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ইরানের দিক থেকে ধেয়ে আসা ড্রোন এবং মিসাইলগুলিকে প্রতিহত করার কাজ করছে তাদের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। তাদের হিসেব মতো ইরানের অধিকাংশ মিসাইল এবং ড্রোন তারা আকাশেই ধ্বংস করেছে। তবে সেই সব মিসাইল বা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে গিয়ে নাকি বেশ কিছু জায়গায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুবাইতে এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানি, শ্রীলঙ্কান, নেপালি নাগরিকদের মৃত্যু ঘটেছে ইরানের মিসাইলের ধ্বংসাবশেষে। সংযুক্ত আরব আমিরাত দাবি করেছে, যুদ্ধের প্রথম ১০ দিনে তারা অন্তত ১৫০০ ইরানি রকেট, ড্রোন ধ্বংস করেছে। এদিকে ইরানের সঙ্গে ইতিমধ্যেই তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এরই মাঝে আবার ইরাকের কুর্দ অধ্যুষিত এরবিলে আমিরাতি কনস্যুলেটে হামলা চালানো হয়েছে।
{{/usCountry}}সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ইরানের দিক থেকে ধেয়ে আসা ড্রোন এবং মিসাইলগুলিকে প্রতিহত করার কাজ করছে তাদের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। তাদের হিসেব মতো ইরানের অধিকাংশ মিসাইল এবং ড্রোন তারা আকাশেই ধ্বংস করেছে। তবে সেই সব মিসাইল বা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে গিয়ে নাকি বেশ কিছু জায়গায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুবাইতে এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানি, শ্রীলঙ্কান, নেপালি নাগরিকদের মৃত্যু ঘটেছে ইরানের মিসাইলের ধ্বংসাবশেষে। সংযুক্ত আরব আমিরাত দাবি করেছে, যুদ্ধের প্রথম ১০ দিনে তারা অন্তত ১৫০০ ইরানি রকেট, ড্রোন ধ্বংস করেছে। এদিকে ইরানের সঙ্গে ইতিমধ্যেই তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এরই মাঝে আবার ইরাকের কুর্দ অধ্যুষিত এরবিলে আমিরাতি কনস্যুলেটে হামলা চালানো হয়েছে।
{{/usCountry}}