...
...
Next Story

Bolivia Crisis: টানা ৫০ দিন বিক্ষোভ, খাদ্য সংকট, জরুরি অবস্থা জারি! বলিভিয়ায় কী চলছে?

Bolivia Crisis: বিক্ষোভ চলাকালে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত অন্তত ৩৬৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ৩৭ জন আহত হয়েছেন। এদিকে, পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় চিকিৎসা ব্যাহত হওয়ায় অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

Published on: Jun 21, 2026 05:43 PM IST
Advertisement

Bolivia Crisis: টানা ৫০ দিন বিক্ষোভের জেরে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে বলিভিয়ায়। এই অবস্থায় দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট রড্রিগো পাজ। ইতিমধ্যে সেখানে বিভিন্ন রাস্তায় নামানো হয়েছে সেনাবাহিনী।

বলিভিয়ায় কী চলছে? (REUTERS)
বলিভিয়ায় কী চলছে? (REUTERS)

বিক্ষোভের জেরে বলিভিয়ার অর্থনীতি কার্যত অচল। এই পরিস্থিতিতে দেশের প্রধান শ্রমিক সংগঠন বলিভিয়ান ওয়ার্কার্স কনফেডারেশনের সঙ্গে সমঝোতা ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শনিবার ভোররাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে দেশজুড়ে ৯০ দিনের জন্য জরুরি অবস্থার কথা জানিয়েছেন বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট। তিনি জানান, জরুরি অবস্থা চলাকালীন যে কোনও ধরনের বিক্ষোভ আইনত নিষিদ্ধ এবং দেশের মধ্যে সামরিক বাহিনী মোতায়েন থাকবে। এদিকে, লাগাতার আন্দোলনের জেরে বলিভিয়ার প্রধান শহরগুলোয় রাস্তা অবরোধ, খাবার, ওষুধ ও জ্বালানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

কী কারণে বলিভিয়ায় বিক্ষোভ?

বাজেট ঘাটতি কমাতে ও ডলার-সঙ্কট সামাল দেওয়ার লক্ষ্যে বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট পাজ বহু দিন ধরে চলে আসা জ্বালানি-ভর্তুকি তুলে দিয়েছিলেন। এর পরেই মজুরি বৃদ্ধি, জ্বালানি ও ডলার-সঙ্কট সমাধান এবং প্রেসিডেন্ট পাজের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে শ্রমিক সংগঠনগুলি। বিক্ষোভকারীদের বেশ কয়েকটি গোষ্ঠী অতীতের বামপন্থী প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেসের সমর্থক। রক্ষণশীল সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গত ছয় সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে শ্রমিক ইউনিয়ন, আদিবাসী গোষ্ঠী এবং কোকা চাষিরা দেশজুড়ে বিক্ষোভ চালিয়ে আসছে। তারা বিভিন্ন শহরে মিছিল করার পাশাপাশি ইট-পাথর, আবর্জনা ও কাঠের গুঁড়ো ফেলে প্রধান প্রধান সড়কগুলো অবরোধ করে রেখেছে। যার জেরে বলিভিয়ার অর্থনীতি কয়েক বিলিয়ন ডলার পরিমাণ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এই গণবিক্ষোভ গত দুই দশকের মধ্যে দেশটির প্রথম সমাজতান্ত্রিক মতাদর্শের বাইরের সরকারের পতন ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিক্ষোভ চলাকালে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত অন্তত ৩৬৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ৩৭ জন আহত হয়েছেন। এদিকে, পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় চিকিৎসা ব্যাহত হওয়ায় অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বলিভিয়ার ওমবাডসম্যান কার্যালয় ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো। সরকারের দাবি, সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ায় অন্তত সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন। পরিস্থিতির প্রভাবে অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। সুপারমার্কেটের তাক খালি হয়ে পড়েছে এবং হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন সংকটের খবরও পাওয়া গেছে। ফলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দাবিতে সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে।

প্রশাসনের পদক্ষেপ ও জনগণ

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe