...
...
Next Story

FIFA World Cup: ২০৩০ বিশ্বকাপে ৬৪ দল? ফিফার নয়া পরিকল্পনায় কী কপাল খুলবে ভারতের?

FIFA World Cup: ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। এই বছরেই প্রথমবার ৩২ দলের পরিবর্তে ৪৮টি টিম অংশ নিয়েছে। সেই সংখ্যাকে আরও বাড়িয়ে ৬৪ করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন জিয়ানি ইনফান্তিনো।

Published on: Jul 13, 2026 04:47 PM IST
Advertisement

FIFA World Cup: ২০২৬-এ প্রথমবার ৪৮ দল নিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজনের ইতিবাচক অভিজ্ঞতার পর এবার আরও বড় টুর্নামেন্টের পরিকল্পনা বিবেচনা করছে ফিফা। এবার ২০৩০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা আরও বাড়িয়ে ৬৪ করার প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে বিবেচনার ঘোষণা করেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো। আর বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থার সভাপতির মন্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে-দলের সংখ্যা বাড়লে কী ভারতের বহু প্রতীক্ষিত বিশ্বকাপের স্বপ্ন বাস্তবের আরও কাছাকাছি পৌঁছবে?

ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো (REUTERS)
ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো (REUTERS)

২০২৬ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। এই বছরেই প্রথমবার ৩২ দলের পরিবর্তে ৪৮টি টিম অংশ নিয়েছে। সেই সংখ্যাকে আরও বাড়িয়ে ৬৪ করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন জিয়ানি ইনফান্তিনো। ইএসপিএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুইজারল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম ব্লু স্পোর্ট-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনো বলেন, ‘এই বিশ্বকাপের পর সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলোতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। বিশ্বকাপ আয়োজন করলে তা গোটা দুনিয়ার জন্যই হওয়া উচিত। শুধু ইউরোপ বা দক্ষিণ আমেরিকার জন্য নয়, বিশ্বের প্রতিটি দেশেরই বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন থাকে। ছোট দলগুলিকে সুযোগ না দিলে, ওরা উন্নতির জন্য অনুপ্রেরণা পাবে না।’

ইএসপিএন-এর মতে, ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের ভাবনা প্রথম প্রকাশ্যে আসে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে। তখন দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা 'কনমেবল' বিশ্বকাপের শতবর্ষ উপলক্ষে ২০৩০ সালে ৬৪ দল নিয়ে আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছিল। তা বাস্তবায়িত করার কথাই ভাবছে ফিফা, এমনটাই জানিয়েছেন জিয়ানি ইনফান্তিনো। যদিও এই প্রস্তাব নিয়ে সমর্থন ও বিরোধিতা- দুইই আছে। ইনফান্তিনোর এই প্রস্তাব সমর্থন করেছিলেন কনমেবল সংস্থার সভাপতি আলেহান্দ্রো ডোমিঙ্গেজ। তবে এর বিরোধিতা করেছিলেন কনকাকাফের সভাপতি ভিক্টর মন্টাগ্লিয়ানি। ২০৩০ সালেই প্রতিযোগিতার শতবর্ষ পূর্ণ হবে। কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মনটাগলিয়ানি গত এপ্রিলে ইএসপিএন-কে বলেন, ‘আমি মনে করি না ৬৪ দলের বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টের জন্য বা বৃহত্তর ফুটবল ইকোসিস্টেমের জন্য সঠিক পদক্ষেপ।’ ১৯৯৮ থেকে ২০২২ পর্যন্ত ৩২ দলের ফরম্যাটে টুর্নামেন্টে মোট ৬৪টি ম্যাচ খেলা হত। চলতি বছরের ৪৮ দলের আসরে ম্যাচের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৪টি। ৬৪ টিমের প্রস্তাব ছাড়পত্র পেলে, খেলার সংখ্যা একলাফে দ্বিগুণ হবে। অর্থাৎ, মোট ১২৮টি ম্যাচ।

ভারতের সুযোগ

যদিও জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, অস্ট্রেলিয়া এবং সৌদি আরবের মতো হেভিওয়েটরা প্রথম পাঁচটি স্লট নিজেদের দখলে রাখবে। এরপরের ধাপেই রয়েছে কাতার, ইরাক, উজবেকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং জর্ডন। তারাও নিজেদের প্রমাণ করেছে। ভারতের সামনে লক্ষ্য ১১ বা ১২ নম্বর স্থানটি দখল করা। কিন্তু তার জন্য ওমান, বাহরিন, সিরিয়া, চিন, ভিয়েতনাম বা থাইল্যান্ডের মতো দলগুলোকে ধারাবাহিক ভাবে টেক্কা দিতে হবে ব্লু-টাইগার্সদের। তাই ৬৪ দলের বিশ্বকাপ হলেও, যোগ্যতা অর্জনের পথ নেহাত মসৃণ নয়। এই মঞ্চে পৌঁছতে গেলে ভারতীয় ফুটবলকে নিজেদের খেলার মান আরও কয়েক গুণ বাড়াতেই হবে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON