অভিনেত্রী দেলনাজ ইরানি এবং অভিনেতা রাজীব পল ২০১০ সালে বিবাহবিচ্ছেদ করেন। তাঁদের বিচ্ছেদের পর, তাঁরা 'বিগ বস সিজন ৬'-এ অংশ নেন। দেলনাজ এবার তাঁর বিগ বস যাত্রা এবং বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুলেছেন। বিবাহবিচ্ছেদ প্রসঙ্গে দেলনাজ জানান, তিনি রাজীবের কাছ থেকে কোনও ভরণপোষণ গ্রহণ করেননি। তিনি কেবল তাঁর জীবনে শান্তি চেয়েছিলেন। এছাড়াও, বিগ বস প্রসঙ্গে দেলনাজ বলেন যে, তাঁর প্রাক্তন স্বামী শো-তে আসবেন, এ ব্যাপারে তাঁর কোনও ধারণাই ছিল না।

আরও পড়ুন: বক্সঅফিসে 'ধুরন্ধর ২'-এর দাপট অব্যাহত! ২৩তম দিনে ঘরে কত কোটি তুলল রণবীরের ছবি?
ম্যাশাবল ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে দেলনাজ ২০১০ সালে তাঁর ও রাজীবের বিবাহবিচ্ছেদের প্রসঙ্গ নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, ‘এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক ছিল। যখন আপনি একটা সম্পর্ক থেকে মানসিক ভাবে ও আবেগগত ভাবে বেরিয়ে আসেন, তখন মনে হয় যেন একই বাড়িতে দু’জন অপরিচিত লোক বাস করছে। সেই সময়ে অনেকেই সংবাদপত্রে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা করতেন। আমাদের সম্পর্ক ২০১০ সালের আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল।'
দেলনাজ আরও বললেন, ‘মাঝে মাঝে সম্পর্কে আমরা একে অপরকে হালকা ভাবে নিতে শুরু করি, আর এটাই সবচেয়ে খারাপ ব্যাপার। আমার সঙ্গী আমাকে কদর করত না। সে হয়তো বুঝতেই পারেনি যে এটা একটা গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। বিবাহবিচ্ছেদের কথা আমার অভিধানেই ছিল না।’
আরও পড়ুন: ১ মাস পূর্ণ হতেই মেয়ে 'নিওমিকা'র ছবি প্রকাশ্যে আনলেন রণদীপ! জানেন এই নামের অর্থ কী?
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: ১ মাস পূর্ণ হতেই মেয়ে 'নিওমিকা'র ছবি প্রকাশ্যে আনলেন রণদীপ! জানেন এই নামের অর্থ কী?
{{/usCountry}}দেলনাজ জানান, তিনি তখনও তাঁর পরিবারকে এ ব্যাপারে কিছু বলেননি। তিনি জানান, তিনি একটি মধ্যবিত্ত পার্সি পরিবার থেকে এসেছেন। তাঁর বাবা-মা এবং দাদু ঠাকুমা বহু বছর ধরে একসঙ্গে যৌথ পরিবারে থাকেন। তিনি বলেন, বহু বছর ধরে তিনি তাঁর বাবা-মাকে কিছুই বলেননি। তিনি জানান, তাঁর বন্ধুরা এ ব্যাপারে সামান্য কিছু জানতেন।
দেলনাজ জানান, তিনি নিশ্চিত যে তাঁর বাবা-মা তাঁর পাশে থাকতেন, কিন্তু তিনি কারও ওপর বোঝা হতে চাননি। ওই সাক্ষাৎকারে দেলনাজ জানান যে, তিনি রাজীবের কাছ থেকে কখনও কোনও ভরণপোষণ পাননি। তিনি বলেন, ‘আমি কিছুই পাইনি। বিবাহবিচ্ছেদটা খুব খারাপ ছিল, কারণ একজন বিচ্ছেদ চেয়েছিল আর অন্যজন চায়নি। আমি শান্তি বেছে নিয়েছি। বলা সহজ, করা কঠিন, কিন্তু সব কিছু গুছিয়ে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হয়।’