Nana Patekar: চিরকালই অন্যরকম চরিত্রে অভিনয় করার জন্য পরিচিত নানা পাটেকার। ইন্ডাস্ট্রিতে নানা যে ছবিগুলি দর্শকদের উপহার দিয়েছিলেন তার মধ্যে অন্যতম ছিল ‘যশবন্ত’। ১৯৯৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবিটিতে নানার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন মধু। এই ছবির সেটেই ঘটে এমন একটি ঘটনা, যা সকলকে অবাক করে দিয়েছিল।

সম্প্রতি হিন্দি রাশের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে সেই পুরনো দিনের কথা তুলে ধরেন অভিনেত্রী মধু। নানা পাটেকরের অসাধারণ অভিনয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘উনি এতটাই সুন্দর অভিনয় করতেন যে বাস্তব আর অভিনয়ের মধ্যে তফাৎ করা মুশকিল হয়ে যেত।’
আরও পড়ুন: বাঁচার জন্য শুধুই চাই অজুহাত, ‘অনেকদিন পর’ নিয়ে এল অনুভূতির এক অন্যরকম গল্প
যশবন্ত ছবির কথা উল্লেখ করে মধু বলেন, ‘একটি দৃশ্যে আমাকে কাঁদতে হত। কিন্তু নানা আমাকে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে দেননি। তিনি আমাকে জোর দিয়েছিলেন যাতে আমি ভেতর থেকে আবেগ অনুভব করে দৃশ্যটি করি। কিন্তু যখন আমি কিছুতেই কাঁদতে পারছিলাম না তখন উনি যা করেছিলেন তা এক মুহূর্তের জন্য আমাকে স্তম্ভিত করে দিয়েছিল।’
মধু বলেন, ‘উনি সত্যি সত্যিই আমাকে থাপ্পড় মেরেছিলেন। এত জোরেই আমাকে থাপ্পড় মেরেছিলেন যে আমার চোখ দিয়ে জল বেরিয়ে যায়। সেই সময় আমার ভীষণ রাগ হয়েছিল কারণ চিত্রনাট্যতে এমন কিছু লেখা ছিল না। আমার এতটাই রাগ হয়েছিল যে আমি পাল্টা ওঁকে থাপ্পড় মেরে দিয়েছিলাম।’
{{/usCountry}}মধু বলেন, ‘উনি সত্যি সত্যিই আমাকে থাপ্পড় মেরেছিলেন। এত জোরেই আমাকে থাপ্পড় মেরেছিলেন যে আমার চোখ দিয়ে জল বেরিয়ে যায়। সেই সময় আমার ভীষণ রাগ হয়েছিল কারণ চিত্রনাট্যতে এমন কিছু লেখা ছিল না। আমার এতটাই রাগ হয়েছিল যে আমি পাল্টা ওঁকে থাপ্পড় মেরে দিয়েছিলাম।’
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: 'সবকিছুই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণাতেই হয়েছে...', স্বরূপ প্রসঙ্গে বিস্ফোরক ঋত্বিক
নায়িকা বলেন, ‘তবে এত কিছু হয়ে যাওয়ার পরেও সিনেমার ওপর কোনও প্রভাব পড়েনি, বরং স্বতঃস্ফূর্তভাবে গোটা কাজটি শেষ হয়ে যায়। ওই দৃশ্যটি পুরো সিনেমার মধ্যে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ একটি দৃশ্য ছিল যার জন্য পরিচালক পুরো একটা দিন ধার্য করে রেখেছিলেন। কিন্তু নানা আমায় মারার পর একদিনের মধ্যেই গোটা সিন হয়ে যায়।’
‘তবে চোখ দিয়ে জল বের করার জন্য জোরে থাপ্পড় মারলেও নানা পাটেকার কখনও সেটে অভদ্র ব্যবহার করেননি। তিনি শুধুমাত্র অসন্তোষ প্রকাশ করতেন কারণ তিনি চাইতেন আমি আরও ভালো অভিনয় করি। আমি যখন গ্লিসারিন ব্যবহার করতাম তখন অনেক ভীষণ বিরক্ত হতেন। আমি চরিত্রের বাইরে থাকলে সেই চরিত্র নিয়ে চিন্তা করতাম না কিন্তু উনি একেবারেই সেটার বিপক্ষে ছিলেন। উনি বিশ্বাস করতেন যে সব সময় চরিত্রের মধ্যেই ডুবে থাকা উচিত তবে এই অভিনয় ভালো হয়।’ যোগ করেন অভিনেত্রী।