...
...
Next Story

Rajpal Yadav: টাকার জন্য জেলে যাননি রাজপাল! আসল কারণ ফাঁস করলেন অভিনেতা নিজেই

Rajpal Yadav: চলতি বছরে ৯ কোটি টাকার চেক বাউন্স মামলায় বেশ কিছুদিন তিহার জেলে কাটাতে হয় অভিনেতা রাজপাল যাদবকে। তবে সম্প্রতি এই চেক বাউন্স মামলা নিয়ে মুখ খুলতে গিয়ে রাজপাল যাদব জানান, ব্যাপারটা ৯ কোটি টাকার মামলা নয় বরং আরও অনেক বড়।

Published on: Apr 22, 2026, 10:00:23 IST
Advertisement

Rajpal Yadav: চলতি বছরে ৯ কোটি টাকার চেক বাউন্স মামলায় বেশ কিছুদিন তিহার জেলে কাটাতে হয় অভিনেতা রাজপাল যাদবকে। যদিও পরবর্তীকালে তিনি শর্তসাপেক্ষে জেল থেকে বেরিয়ে আসেন এবং খুব সম্প্রতি রাজপালের ‘ভূত বাংলা’ ছবিটিও বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে। তবে সম্প্রতি এই চেক বাউন্স মামলা নিয়ে মুখ খুলতে গিয়ে রাজপাল যাদব জানান, ব্যাপারটা ৯ কোটি টাকার মামলা নয় বরং আরও অনেক বড়।

টাকার জন্য জেলে যাননি রাজপাল! আসল কারণ ফাঁস করলেন অভিনেতা নিজেই
টাকার জন্য জেলে যাননি রাজপাল! আসল কারণ ফাঁস করলেন অভিনেতা নিজেই

সম্প্রতি শুভঙ্কর মিশ্রের পডকাস্ট চলাকালীন রাজপাল যাদব এই মামলা নিয়ে কথা বলেন। আলাপচারিতায় উঠে আসে নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকির প্রসঙ্গ, যিনি রাজপালকে অত্যন্ত দয়ালু এবং সৎ মানুষ বলে অভিহিত করেছিলেন। এই প্রসঙ্গেই রাজপাল বলেন, একজন বড় চলচ্চিত্র তারকার কাছে ৫ কোটি টাকা পরিশোধ দেওয়াটা কোনও বড় ব্যাপার নয়।

আরও পড়ুন: 'আমি বলিনি আমার কেরিয়ার শেষ...', ব্যক্তিগত কথোপকথন ফাঁস হতেই রেগে কাঁই শ্বেতা

রাজপাল বলেন, ‘একদিন মানুষ বুঝবে, যে ব্যাপারটা ৫ কোটি টাকার ব্যাপার নয়। আমার কাছে টাকা ছিল না বলে কিন্তু আমাকে জেলে পাঠানো হয়নি। ব্যাপারটা আরো অনেক বড় ব্যাপার এবং এটা একটা নীতিগত ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। যদি অর্থের পরিমাণটা ৫ কোটি হতে তাহলে ২০১২ সালেই এই ঘটনার নিষ্কৃতি হয়ে যেত। কিন্তু এই একটি সমস্যার কারণে ১৭ থেকে ২২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।’

আরও পড়ুন: 'বিপদে না পড়লে বোঝা যায় না...', শ্যামৌপ্তির সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ প্রসঙ্গে রণজয়

রাজপাল যাদবের মামলা প্রসঙ্গে

২০১০ সালে রাজপাল তাঁর প্রথম পরিচালিত ছবি আতা পাতা লাপাতা সিনেমার জন্য ৫ কোটি টাকা ধার করেছিলেন দিল্লি ভিত্তিক মুরলী প্রজেক্ট প্রাইভেট লিমিটেডের কাছে। কিন্তু ছবিটি বক্স অফিসে ব্যর্থ হওয়ায় প্রচুর টাকা লোকসান হয়ে যায়। খুব স্বাভাবিকভাবেই অভিনেতা প্রযোজনা সংস্থাকে এই টাকা দিতে পারেননি এবং সেটা নিয়েই শুরু হয়ে যায় আইনি লড়াই।

২০১৮ সালে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের অধীনে একটি চেক বাউন্স মামলায় অভিনেতাকে দোষী সাব্যস্ত করে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়। ২০১৯ সালে একটি সেশনস আদালত এই সিদ্ধান্ত বহাল রাখে এবং ঋণের পরিমাণ শেষ পর্যন্ত প্রায় ৯ কোটি টাকায় পৌঁছায়।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe