...
...
Next Story

WB Weather Update 2025: ৬.৫ থেকে ৪৪.৫ ডিগ্রি, ৩ ঘূর্ণিঝড়, ১ দিনে ২৫১.৪ মিমি বৃষ্টি- ২০২৫-র শেষে ‘ঝড়’ বাংলার আবহাওয়া

সাড়ে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৪৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বর্ষার সময় ১৪টি নিম্নচাপ, একদিনে ২৫১.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি, ১১ দিন তাপপ্রবাহ, দু'দিন শৈত্যপ্রবাহ- ২০২৫ সালে এমনই কাটল পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া।

Published on: Dec 31, 2025, 17:59:32 IST
Advertisement

সাড়ে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৪৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বর্ষার সময় ১৪টি নিম্নচাপ, একদিনে ২৫১.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি, ১১ দিন তাপপ্রবাহ, দু'দিন শৈত্যপ্রবাহ- ২০২৫ সালে এমনই কাটল পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া। আর শেষদিনেও একেবারে ঝড় তুলল। কারণ কুয়াশা কাটতেই ২০২৫ সালের ৩৬৫ তম দিনে ঝপ করে পড়ে গেল পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আজ তাপমাত্রা মোটামুটি একই স্তরে থাকার অনুমান করা হয়েছিল। কিন্তু কুয়াশা সরে যেতেই পারদ পতন হয়েছে।

২০২৫ সালে বাংলার আবহাওয়ার ইতিবৃত্ত

বছরের শেষদিনের সকাল নদিয়ায়। (ছবি সৌজন্যে এএনআই)
বছরের শেষদিনের সকাল নদিয়ায়। (ছবি সৌজন্যে এএনআই)

১) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা: ৪৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২৫ এপ্রিল কলাইকুন্ডায় সেই তাপমাত্রা নথিভুক্ত হয়েছিল।

২) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা: সমতলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হল ৬.৫ ডিগ্রি। ১১ জানুয়ারি পুরুলিয়ায় এবং ৩১ ডিসেম্বর শ্রীনিকেতন কেঁপেছিল সেই তাপমাত্রায়। আর পাহাড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২.৬ ডিগ্রি। যা নথিভুক্ত হয়েছিল ৯ জানুয়ারি।

৩) শৈত্যপ্রবাহ: একদফায় হয়েছিল। ১১ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত পুরুলিয়ায় শৈত্যপ্রবাহ চলেছিল।

৪) তাপপ্রবাহ: চারটি দফায় চলেছিল তাপপ্রবাহ- ২৮ মার্চ থেকে ২৯ মার্চ, ২৩ এপ্রিল থেকে ২৬ এপ্রিল, ১০ মে থেকে ১২ মে এবং ১৩ জুন থেকে ১৪ জুন।

৫) কালবৈশাখী: ৫ দিন। সর্বোচ্চ বেগ ছিল ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার (১২ মে, আলিপুর)।

৬) শিলাবৃষ্টি: ২ দিন হয়েছে (২৩ মার্চ হয়েছিল দার্জিলিং এবং ১৭ এপ্রিল বাঁকুড়া)।

৭) পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করেছিল ২৯ মে। ১৩ অক্টোবর দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বিদায় নিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ থেকে। ১৪টি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছিল। বর্ষায় মোট বৃষ্টি হয়েছে ১,৩৫৩.৪ মিলিমিটার। যা স্বাভাবিক গড়ের থেকে এক শতাংশ বেশি। আর বার্ষিক বৃষ্টির পরিমাণ হল ১,৮৯৩.৯ মিলিমিটার। যা স্বাভাবিক গড়ের থেকে সাত শতাংশ বেশি।

১) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা: ৩৯.৪ ডিগ্রি (১১ মে)।

২) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা: ১১ ডিগ্রি (৩১ ডিসেম্বর)।

৩) একদিনে সর্বাধিক বৃষ্টি: ২৫১.৪ মিলিমিটার (২৩ সেপ্টেম্বর)। যা সার্বিকভাবে একদিনে সর্বাধিক বৃষ্টির তালিকায় ছয় নম্বরে আছে।

বছরের শেষদিনে কলকাতার তাপমাত্রা কত?

আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নথিভুক্ত আছে আজই। বুধবার বিকেলে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আজ কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হল ২০.১ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে ৫.৩ ডিগ্রি কম। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হল ১১ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে ২.৮ ডিগ্রি কম। আগামিকাল কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রির আশপাশে থাকবে। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১২ ডিগ্রির আশপাশে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe