...
...
Next Story

Haldia Naval Base: বাংলাদেশকে ঘিরে ৪ সেনা গ্যারিসনের পর হলদিয়ায় নৌসেনা ঘাঁটি তৈরির পরিকল্পনা ভারতের

১০০ টন ওজনের, ৪৫ নটিক্যাল গতি বিশিষ্ট ছোট রণতরী মোতায়েন রাখা হবে হলদিয়ার নৌঘাঁটিতে। সবমিলিয়ে ১০০ জনের মত নৌসেনা আধিকারিক এই ঘাঁটি সামলাবেন।

Published on: Jan 7, 2026, 12:50:42 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতার কাছে হলদিয়ায় ঘাঁটি তৈরি করার পরিকল্পনা করছে ভারতীয় নৌসেনা। ইতিমধ্যেই সেই ঘাঁটি তৈরির জন্য অ্যাকুইজিশন কাউন্সিলের ছাড়পত্র পাওয়া গিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ১০০ টন ওজনের, ৪৫ নটিক্যাল গতি বিশিষ্ট ছোট রণতরী এখানে মোতায়েন থাকবে। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের পরে গতবছর প্রথমবারের মত বঙ্গোপসাগর হয়ে বাংলাদেশে পৌঁছায় পাকিস্তানি রণতরী। পাক নৌসেনা প্রধান ছিলেন সেই জাহাজে। এই আবহে বাংলাদেশের পাক প্রীতির মাঝেই হলদিয়ার নৌঘাঁটি স্থাপনের তোড়জোড়।

১০০ টন ওজনের, ৪৫ নটিক্যাল গতি বিশিষ্ট ছোট রণতরী মোতায়েন রাখা হবে হলদিয়ার নৌঘাঁটিতে। (Defence PRO)
১০০ টন ওজনের, ৪৫ নটিক্যাল গতি বিশিষ্ট ছোট রণতরী মোতায়েন রাখা হবে হলদিয়ার নৌঘাঁটিতে। (Defence PRO)

বাংলাদেশকে ঘিরে ধরে ভারত ইতিমধ্যেই একাধিক সামরিক ঘাঁটি তৈরি করছে। এর মধ্যে তিনটি হবে চিকেনস নেক এলাকার ধুবড়ি, চোপড়া এবং কিষাণগঞ্জ এলাকায়, একটি হবে উত্তরপূর্বের মিজোরামে। আর এরই মাঝে হলিদাতেও নৌঘাঁটি তৈরি করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সবমিলিয়ে ১০০ জনের মত নৌসেনা আধিকারিক এই ঘাঁটি সামলাবেন।

এদিকে বঙ্গোপসাগরে ৫০০ কিমি এলাকা জুড়ে নোটাম জারি করা হল আগামী ১২ এবং ১৩ জানুয়ারির সময়কালে। ১২ তারিখ ভোররাত ২টো থেকে ১৩ তারিখ সকাল ৯টা পর্যন্ত এই নোটাম জারি করা হয়েছে। অর্থাৎ, এই সময়কালে ওই নির্দিষ্ট জায়গা দিয়ে বিমান চলাচলে নিষিদেধাজ্ঞা জারি করাহ হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই নোটাম জারি করা হয়েছে ৫০০ কিমি দীর্ঘ এলাকা জুড়ে। বিশাখাপত্তপনমের থেকে এই নোটাম জারি করা হয়েছে। এই আবহে অনুমান করা হচ্ছে, নৌসেনার কোনও মিসাইল লঞ্চের পরীক্ষা করা হতে পারে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe