Paresh Rawal: একের পর এক সমস্যা গ্রাস করে রয়েছে ‘হেরা ফেরি ৩’ কে। এতদিন ছবির গল্প নিয়ে চলছিল আইনি লড়াই। এবার পাকাপাকিভাবে ছবি থেকে সরে দাঁড়ালেন পরেশ রাওয়াল। এমনকি তিনি চুক্তিবদ্ধ হওয়ার জন্য যে অর্থ পেয়েছিলেন সেই ১১ লক্ষ টাকা ১৫ শতাংশ সুদসহ ফেরত দিয়ে দিয়েছেন। পরেশ এই ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না জানালেও বোঝা যাচ্ছে তিনি এই ছবি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

পরেশের এই সরে দাঁড়ানো নিয়ে এবার মুখ খুললেন পরিচালক প্রিয়দর্শন। সম্প্রতি ই টাইমসকে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি এই ব্যাপারে অবগত নই। পরিচালকের কথা শুনে বোঝাই যাচ্ছে তিনি আপাতত এই বিষয় নিয়ে কিছু বলতে চান না।’
আরও পড়ুন: ইম্পার অস্থায়ী সভাপতি হলেন রতন সাহা, আইনিপথে হাঁটার হুমকি পিয়া সেনগুপ্তর
তবে পরেশের ছবি ছেড়ে চলে যাওয়ার ঘটনা এই প্রথমবার নয়। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালেও তিনি ছবি ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। পরেশের বিরুদ্ধে তখন ২৫ কোটি টাকার মামলা করা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অক্ষয় কুমার। পরবর্তী সময়ে এই ঘটনাটি মিটে যায় এবং পরেশ আবার ছবিতে ফিরে আসেন। এরপর প্রিয়দর্শন এবং অক্ষয়ের সঙ্গে ভূত বাংলা ছবিতে অভিনয় করেন পরেশ।
তবে ‘হেরাফেরি ৩’ এই ছবিটি যে তৈরি হবেই এই ব্যাপারে নিশ্চিত নন কেউই। খুব সম্প্রতি শুভঙ্কর ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অক্ষয় বলেছিলেন, ‘এই ছবিটা আগের মতো হচ্ছে না। আমরা সবাই চাই এই ছবিটা হোক। অন্তত আমরা বুড়ো হয়ে যাওয়ার আগেই এই ছবিটা হোক। কিন্তু আপাতত ছবিটা নিয়ে নিশ্চিত ভাবে কিছু বলতে পারছি না।’
{{/usCountry}}তবে ‘হেরাফেরি ৩’ এই ছবিটি যে তৈরি হবেই এই ব্যাপারে নিশ্চিত নন কেউই। খুব সম্প্রতি শুভঙ্কর ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অক্ষয় বলেছিলেন, ‘এই ছবিটা আগের মতো হচ্ছে না। আমরা সবাই চাই এই ছবিটা হোক। অন্তত আমরা বুড়ো হয়ে যাওয়ার আগেই এই ছবিটা হোক। কিন্তু আপাতত ছবিটা নিয়ে নিশ্চিত ভাবে কিছু বলতে পারছি না।’
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: 'আমাদের মাঝে কেউ ঢুকতে পারবে না...', নবনীতাকে ভুলে কার প্রেমে মজেছেন জীতু?
হেরা ফেরি ৩ নিয়ে আইনি সমস্যা
‘হেরা ফেরি ৩’ একেবারে শুরু থেকেই আইনি ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছে। প্রযোজনা সংস্থা সেভেন আর্টস ইন্টারন্যাশনাল ছবিটির নির্মাতাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে এই দাবি করে যে, সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার কেবল একটি ছবি রিমেক করারই স্বত্ব ছিল। সেটি ছিল মালয়ালম ভাষার মূল ছবি ‘রামজি রাও স্পিকিং’ (১৯৮৯)-এর হিন্দি রূপান্তর।