‘ভোলে বাবা পার করেগা’ নামে একটি ধারাবাহিকের শ্যুট করতে গিয়ে, জলে ডুবে প্রয়াত হন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া টলিপাড়ায়। শোকাহত তাঁর অনুরাগীরাও। মাত্র ৪২ বছর বয়সে তিনি চলে গেলেন। আর খুব অদ্ভুত ভাবেই তাঁর এক লেখায় তিনি জলে ডুবে ৪২ বছরের প্রাণ হারানোর কথা লিখেছিলেন। এ এক আশ্চর্য সমাপতন।

আরও পড়ুন: 'ব্যোমকেশ' বিতর্ক অতীত, ‘বড্ড তাড়াতাড়ি চলে গেল’, সমবয়সী রাহুলের প্রয়ানে শোকাহত দেব
সোমবার নায়কের একটি পুরানো লেখা ভাইরাল হয়। আরটিস্ট ফোরামের ‘বাতায়ন’ নামে এক পত্রিকায় ২০১৮ সালের সংখ্যায় তিনি ‘বান্ধবীরা’ নামে একটি গল্প লিখেছিলেন। সেখানে গল্পের শুরুতেই রাহুল লিখেছিলেন, ‘মৃত্যুর পর নিজেকে বেশ রাজকীয় লাগছে আমার। এমনিতেই মৃত্যুটা বেমক্কা হয়েছে। পাড়ার দুর্গাপুজোর ভাসান ছিল। শেষ সিঁড়িটা মিস্ করেছি। ৪২ তো যাবার বয়সও না! বেরিয়ে এলাম জল থেকে। শরীর তুলেছে অবশ্য অন্যরা।’ আর নায়কও ৪২-এই চলে গেলেন। তাঁরও জলে ডুবেই মৃত্যু হল। 'এমনও হতে পারে?' হতবাক নায়কের অনুরাগীরা।
আরও পড়ুন: 'তিনি সরকার ঘনিষ্ঠ, কিছু যেন ধামাচাপা না পড়ে…', রাহুলের মৃত্যুতে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শতরূপের
প্রসঙ্গত, কিন্তু কী করে জলে ডুবে গেলেন রাহুল? মিডিয়াকে দেওয়া বিবৃতিতে ধারাবাহিকের পরিচালক এবং সহ-অভিনেতা বলছেন শ্যুটিং চলাকালীন রাহুল জলে ডুবে যায়। অন্যদিকে ম্যানেজার বলছেন প্যাক-আপের পরে ঘটনাটা ঘটে। দীঘা ও তালসারি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রাহুল ও ধারাবাহিকের নায়িকা শ্বেতা যখন জলে ডুবে যায়, তখন ড্রোন শট নেওয়া চলছিল। অন্যদিকে, লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের দাবি সমুদ্রে নামার কোনও শটই নাকি ছিল না! পাশাপাশি লাইফ সেভিং গার্ড, ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল টিম ছিল না। ফলে সব মিলিয়ে নায়কের মৃত্যু নিয়ে ব্যাপ০ক জলঘোলা হচ্ছে।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, কিন্তু কী করে জলে ডুবে গেলেন রাহুল? মিডিয়াকে দেওয়া বিবৃতিতে ধারাবাহিকের পরিচালক এবং সহ-অভিনেতা বলছেন শ্যুটিং চলাকালীন রাহুল জলে ডুবে যায়। অন্যদিকে ম্যানেজার বলছেন প্যাক-আপের পরে ঘটনাটা ঘটে। দীঘা ও তালসারি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রাহুল ও ধারাবাহিকের নায়িকা শ্বেতা যখন জলে ডুবে যায়, তখন ড্রোন শট নেওয়া চলছিল। অন্যদিকে, লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের দাবি সমুদ্রে নামার কোনও শটই নাকি ছিল না! পাশাপাশি লাইফ সেভিং গার্ড, ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল টিম ছিল না। ফলে সব মিলিয়ে নায়কের মৃত্যু নিয়ে ব্যাপ০ক জলঘোলা হচ্ছে।
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: ‘দয়া করে ওরকম ছবি তুলবেন না, রাহুলের বাচ্চা আছে, মা আছে…’! কাতর অনুরোধ শ্রীলেখার
তমলুক মহকুমা হাসপাতাল থেকে রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মরদেহ কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। দুপুর ২:৪৫ নাগাদ তাঁর মরদেহ বিজয়গড়ের বাসভবনে পৌঁছয়।পৌঁছেছিলেন রাহুলের সহকর্মী-বন্ধুরাও। শেষশ্রদ্ধা জানান, দীপ্সিতা ধর, শতরূপ ঘোষরা। চোখের জলে বন্ধু রাহুলকে শেষবিদায় জানান আবির চট্টোপাধ্যায়, গৌরব চক্রবর্তী, ঋদ্ধিমা, রূপম ইসলামরা।