...
...
Next Story

'ঈশ্বর যেন কাউকে এমন মৃত্যু না দেন’ বলেছিলেন ভক্তরা! কোন ভয়ঙ্কর রোগ হয়েছিল সঞ্জিতের?

ওটিটি ও সোশ্যাল মিডিয়ার এই যুগে পুরনো শোগুলোর কথা উঠলেই ডক্টর ওমির নাম চলে আসে। ২০০২ সালের ব্লকবাস্টার শো 'সঞ্জীবনী'-তে ডক্টর ওমি চরিত্রে তাঁর হাসি দিয়ে সকলের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন যিনি, তিনি হলেন সঞ্জিত বেদী। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর মর্মান্তিক কাহিনী আজও টলিভিশন ইন্ডাস্ট্রিকে ভাবায়।

Published on: Apr 20, 2026, 17:45:50 IST
Advertisement

ওটিটি ও সোশ্যাল মিডিয়ার এই যুগে পুরনো শোগুলোর কথা উঠলেই ডক্টর ওমির নাম চলে আসে। ২০০২ সালের ব্লকবাস্টার শো 'সঞ্জীবনী'-তে ডক্টর ওমি চরিত্রে তাঁর হাসি দিয়ে সকলের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন যিনি, তিনি হলেন সঞ্জিত বেদী। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর মর্মান্তিক কাহিনী আজও টলিভিশন ইন্ডাস্ট্রিকে ভাবায়।

'ঈশ্বর যেন কাউকে এমন মৃত্যু না দেন’ বলেছিলেন ভক্তরা! কোন ভয়ঙ্কর রোগ হয়েছিল সঞ্জিতের?
'ঈশ্বর যেন কাউকে এমন মৃত্যু না দেন’ বলেছিলেন ভক্তরা! কোন ভয়ঙ্কর রোগ হয়েছিল সঞ্জিতের?

আরও পড়ুন: 'কেউ কাজের অফার দিচ্ছে না…', কেন এমন বললেন অর্চনা? নেপথ্যের কারণ কপিল?

সঞ্জিত বেদি সেই সময়ে অন্যতম জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেতা ছিলেন। তাঁর পারিশ্রমিকো ছিল প্রচুর। তিনি 'কসৌটি জিন্দেগি কি', 'ক্যায়া হোগা নিম্মো কা', 'জানে ক্যায়া বাত হুই' এবং 'আহত'-এর মতো অসংখ্য ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। এরপর একদিন তিনি হঠাৎই লাইট ক্যামেরা অ্যাকশনের জগৎ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। তাঁর ভক্তরা ভেবেছিলেন যে, তিনি বিরতি নিচ্ছেন কারণে নায়ক হয়তো এবার বড় পর্দায় পা রাখতে চলেছেন বা কোনো বড় প্রকল্পে কাজ করবেন। কিন্তু, ব্যাপারটা তেমন ছিল না।

আরও পড়ুন: সলমনের সামনে নাচতে গিয়ে ঘাবড়ে গেলেন বরুণ! ‘সবচেয়ে বড় ব্যাচেলরের পাশে…’, যা বললেন নায়ক

আরও পড়ুন: 'একঘেয়ে হয়ে যাচ্ছিল…’, অভিনয় থেকে বিরতি প্রসঙ্গে অনুরাগ কাশ্যপ যা বললেন

সঞ্জিত বেদি যে মস্তিষ্কের ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাকে ভাইরাল এনসেফালাইটিস বলা হয়। ভাইরাল এনসেফালাইটিসের কারণে প্রাথমিক ভাবে মস্তিষ্কে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। এর প্রাথমিক লক্ষণগুলো মৃদু হয়, যেমন জ্বর ও মাথাব্যথা, এবং তারপর ধীরে ধীরে এটি মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করতে শুরু করে।

মস্তিষ্কের ভাইরাসটি সঞ্জিতের মস্তিষ্কে এতটাই মারাত্মক প্রভাব ফেলেছিল যে তিনি কোমায় চলে যান। সঞ্জিত আর কোমা থেকে সেরে ওঠেননি এবং ২০১৫ সালে হাসপাতালেই মারা যান।

শুরুতে ভক্তরা গত দুই বছর ধরে সঞ্জিতের কষ্টের কথা জানতেন না, কিন্তু যখন তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে, তখন তারা শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েন সকলে। ‘ঈশ্বর যেন আর কাউকে এমন মৃত্যু না দেন’, বলেছিলেন ভক্তরা,

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe