চলতি বছরে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে টলিউড বিভক্ত ছিল দেব বনাম স্বরূপ বিশ্বাসে। টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োয় ‘স্বাস্থ্যসাথী’ কার্ড বানানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন দেব। অন্যদিকে, শোনা গিয়েছিল গিল্ড-এর সদস্যদের স্বরূপ বিশ্বাস নিজে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ কার্ডে নাম নথিভুক্তকরণ প্রকল্পে যোগ না-দেওয়ার কথা বলেছিলেন। তবে এরপরও দেব বহু টেকনিশিয়ানকে ‘স্বাস্থ্যসাথী’র আওতায় আনেন। তবে এখন রাজ্যে নতুন সরকার।

আরও পড়ুন: সামান্থার সঙ্গে প্রতারণার ফেক ভিডিয়ো, দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন নাগা চৈতন্য!
কিছুদিন আগেও অনেকের মনেই প্রশ্ন ছিল ‘স্বাস্থ্যসাথী’ পরিষেবা চালু থাকবে কিনা? যদিও পরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে আপাতত জনকল্যানমূলক প্রকল্প চালু থাকছে। ফলে চালু থাকছে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ও। তবে টেকনিশিয়ানদের ‘স্বাস্থ্যসাথী’তে নাম নথীভুক্ত করা প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন তৃণমূল সাংসদ দেব।
আরও পড়ুন: ছেলেদের প্রথমবারের জন্য ক্যামেরার সামনে আনলেন দিব্যাঙ্কা! মা না বাবা, কার মতো দেখতে তাদের?
তিনি 'ফেরা'-এর স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে গিয়ে এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার মনে হয় এই বিষয়টা আমি এখনই কিছু বলতে পারবো না। কারণ সত্যি আমি এই বিষয়টা এখনও জানি না। আগের সরকারের ক্ষেত্রে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ কার্ডটা নিয়ে আমি জানতাম। নতুন সরকার হয়েছে এখনও একমাসও হয়নি। এই সরকারকে সুযোগ দেওয়া উচিত। এই সরকারকে সময় দেওয়া উচিত। সব কিছুর সিস্টেমটাও নতুন। আমার বিশ্বাস যে এই সরকার নিশ্চয়ই ভালো কাজ করবে। কাজের সুযোগও বাড়বে। আমার শুভেচ্ছা।’
তিনি আরও বলেন, 'সরকারের প্রতি বাংলার মানুষের বিশ্বাস আছে, আমারও বিশ্বাস আছে। এইটুকু বলবো সকলকে একটু ধৈর্য্য ধরুন। সরকার চালানো এত সোজা নয় যে, একমাসে মধ্যে আমরা সমস্ত ফলাফল পাবো। আমার মনে হয় এই সরকারকে এক বছর সময় দেওয়া উচিত। যে কোনও সরকারের নানা সিদ্ধান্ত ও তা বাস্তবায়ন করতে, তার ফল পেতে এক বছর সময় লাগে। আমাদের এই ইন্ডাস্ট্রিতে আমি যে ভাবে সাফার করেছি, সেটা আর হবে না বলেই আমার বিশ্বাস।'