...
...
Next Story

Bangladesh Jamaat-e-Islami: প্রথমবার ভাষা দিবসে ফুল দিতেই প্রশ্নে জর্জরিত 'পাক-ভক্ত' জামাত, শুনতে হল রাজাকার

প্রথমবারের মতো একুশে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা শহিদদের পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামি। আর বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে গিয়ে প্রশ্নে জর্জরিত হলেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান। যে জামাতকে পাকিস্তানের ভক্ত বলা হয়ে থাকে।

Published on: Feb 21, 2026, 07:38:53 IST
Advertisement

প্রথমবারের মতো একুশে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ হলেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান। একের পর এক প্রশ্নে জর্জরিত হলেন। সেইসঙ্গে পড়লেন চরম কটাক্ষের মুখে। যদিও সেইসব কটাক্ষের মুখে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামির প্রধান দাবি করেছেন যে বিরোধী নেতা হিসেবে ‘দায়িত্ব’ পালন করতে এসেছেন। বিরোধী দলের নেতা হিসেবে আসতে হত, তাই এসেছেন। যদিও তাতে রাগের বহিঃপ্রকাশ থামেনি। রীতিমতো ক্ষোভের সুরে একজন বলেন, ‘যারা বাংলাদেশর স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল, আজ তারা এসেছে শহিদ মিনারে, এ লজ্জা রাখব কোথায়।’ একইসুরে অপর একজন বলেন, ‘যাদের মাধ্যমে শহিদ হয়েছে, তারাই নাকি আবার শহিদদের স্মরণ করছে।’

বাংলাদেশের জামায়াত আমির শফিকুর রহমান। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে ফেসবুক Bangladesh Jamaat-e-Islami)
বাংলাদেশের জামায়াত আমির শফিকুর রহমান। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে ফেসবুক Bangladesh Jamaat-e-Islami)

আর সেই ক্ষোভের আগুনটা আগে থেকেই জ্বলছিল। শফিকুর যে ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানাবেন, তা জামায়াতে ইসলামির তরফে আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। সেইমতো শুক্রবার রাতে (ইংরেজি মতে শনিবার) ঘড়ির কাঁটা ১২ টা পার করার পরই ১১ দলীয় জোটের নেতাদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে আসেন জামায়াত ইসলামির প্রধান। সেখানে শ্রদ্ধা জানান ভাষা শহিদদের। অর্পণ করেন পুষ্পস্তবক।

'এখনও কি এই জামাত এটাকে অবৈধ বলে মনে করে?’

সেই রেশ ধরেই একের পর এক প্রশ্নে জর্জরিত হন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামির প্রধান। অতীতে কখনও ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহিদ বিমানে জামাতের নেতাদের পুষ্পস্তবক দিতে দেখা যায়নি। তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এক সাংবাদিক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘জামাত সাধারণত কখনও ফুল দিতে আসেনি। আজ কী মনে করে এলেন? এখনও কি এই জামাত এটাকে অবৈধ বলে মনে করে?’

বাধ্য হয়ে শহিদ মিনারে? প্রশ্নে জর্জরিত জামাত প্রধান

তারপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় চরম কটাক্ষের মুখে পড়েছেন জামায়েত প্রধান। আওয়ামি লিগ সমর্থক ঝর্ণা চৌধুরী দাবি করেছেন, ‘এরা দেশদ্রোহী, রাজাকার। এরা কখনও বাংলা ভাষা চায়নি, বাংলাদেশ চায়নি। এখন আবার রূপ পরিবর্তন করে লোক দেখানোর জন্য শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছে।’ একইসুরে অপর একজন বলেন, ‘রাজাকারদের যেনো শহিদ মিনারে জায়গা দেওয়া না হয়, ৫ অগস্টের পরে কতগুলো শহিদ মিনার ভেঙেছে, শহিদদের সম্মানে আঘাত করেছে। আজ জাতির সামনে নাটক করতে শহিদ মিনারে গেলেন ধর্ম ব্যবসায়ীরা। তাঁদের শহিদ মিনারে কোনওরকম গ্রহণযোগ্যতা নেই।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe