তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র এবার তাঁর প্রাক্তন 'বন্ধু' জয় অনন্ত দেহরাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেন আদালতে। পোষ্য কুকুর 'হেনরি' (রটওয়েলার জাত)-এর হেফাজতে পেতে এই আইনি লড়াইতে নেমেছেন মহুয়া। এই আবহে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ। এর আগে সাকেত আদালত এই পোষ্য কুকুরের অন্তর্বর্তীকালীন হেফাজত মহুয়াকে দিতে অস্বীকার করে। সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লির উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মনোজ কুমার ওহরির এজলাসে এই আবেদন করেন মহুয়া। এই আবহে আইনজীবী জয় অনন্ত দেহরাইকে নোটিশ পাঠিয়ে জবাব চেয়েছে আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি ২৯ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে আজকে শুনানি চলাকালীন দেহরাই ব্যক্তিগতভাবে হাজির হন এজলাসে। এদিকে তিনি আবেদন জানান যাতে মহুয়া মৈত্রের আবেদন খারিজ করে দেওয়া উচিত। তিনি আরও দাবি করেন, পোষ্য নিয়ে এই বিবাদটি তাদের বৃহত্তর রাজনৈতিক বিরোধের একটি অংশ।
উল্লেখ্য, এর আগে অনন্ত দেহরাই অভিযোগ করেছিলেন যে মহুয়া মৈত্রা সংসদে প্রশ্ন করার বিনিময়ে ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছিলেন। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে এবং অনন্ত দাবি করেছিলেন যে মহুয়া মৈত্র হিরানন্দানিকে তাঁর লোকসভার লগইন শংসাপত্র দিয়েছিলেন যাতে তিনি সরাসরি তাঁর পছন্দের প্রশ্ন পোস্ট করতে পারেন। অভিযোগ করা হয়েছে যে তাঁর করা ৬১টি প্রশ্নের মধ্যে ৫০টি হিরানন্দানির সাথে সম্পর্কিত।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে লোকসভার এথিক্স কমিটি তদন্ত করে মহুয়াকে বহিষ্কারের সুপারিশ করে। এরপরে ২০২৩ সালের ৮ ডিসেম্বর মহুয়া মৈত্রাকে সংসদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। যদিও মহুয়া তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন এবং পালটা দাবি করেছিলেন, এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। অবশ্য তিনি স্বীকার করেছিলেন যে হিরানন্দানি তাঁর বন্ধু এবং তাঁর থেকে তিনি 'উপহার' নিয়েছেন। তবে কোনও লেনদেনের কথা তিনি অস্বীকার করেছিলেন। মহুয়া মৈত্র দেরাই এবং নিশিকান্ত দুবের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও দায়ের করেছিলেন। যদিও আদালত বলেছিল, মহুয়ার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
{{/usCountry}}এই অভিযোগের ভিত্তিতে লোকসভার এথিক্স কমিটি তদন্ত করে মহুয়াকে বহিষ্কারের সুপারিশ করে। এরপরে ২০২৩ সালের ৮ ডিসেম্বর মহুয়া মৈত্রাকে সংসদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। যদিও মহুয়া তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন এবং পালটা দাবি করেছিলেন, এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। অবশ্য তিনি স্বীকার করেছিলেন যে হিরানন্দানি তাঁর বন্ধু এবং তাঁর থেকে তিনি 'উপহার' নিয়েছেন। তবে কোনও লেনদেনের কথা তিনি অস্বীকার করেছিলেন। মহুয়া মৈত্র দেরাই এবং নিশিকান্ত দুবের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও দায়ের করেছিলেন। যদিও আদালত বলেছিল, মহুয়ার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
{{/usCountry}}