India-US defence deal: আরও শক্তিশালী হল ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুসারে, ভারতের জন্য ৪২৮.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের দু’টি সম্ভাব্য সামরিক সহায়তা চুক্তি অনুমোদন করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। এই চুক্তির আওতায় এইচ-৬৪ই অ্যাপাচি অ্যাটাক হেলিকপ্টার এবং এম৭৭৭ আল্ট্রা-লাইট হাউইটজার কামানের জন্য সাপোর্ট সার্ভিস পাবে নয়াদিল্লি।

মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচি হেলিকপ্টারের রক্ষণাবেক্ষণ সহায়তা পরিষেবার মূল্য প্রায় ১৯৮.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অন্যদিকে, এম৭৭৭এ২ আল্ট্রা-লাইট হাউইটজারের দীর্ঘমেয়াদী সহায়তার আনুমানিক পরিমাণ প্রায় ২৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, অ্যাপাচি প্যাকেজের প্রধান ঠিকাদার হিসেবে কাজ করবে বোয়িং ও লকহিড মার্টিন এবং এম৭৭৭ হাউইটজারগুলির সহায়তার দায়িত্বে থাকবে বিএই সিস্টেমস। অ্যাপাচি প্যাকেজের জন্য ভারতের অনুরোধে, মার্কিন সরকার ও ঠিকাদারদের কাছ থেকে রক্ষণাবেক্ষণ সহায়তা পরিষেবা, ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রযুক্তিগত সহায়তা, প্রযুক্তিগত সাহায্য ও ডেটা, কর্মী প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য রসদ ও কর্মসূচি সহায়তা উপাদান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এম৭৭৭ হাউইটজারগুলির জন্য প্রস্তাবিত প্যাকেজে আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম, খুচরো যন্ত্রাংশ, মেরামত ও সহায়তা, প্রশিক্ষণ, কারিগরি সহায়তা, ফিল্ড সার্ভিস প্রতিনিধি, ডিপো সক্ষমতা এবং অতিরিক্ত লজিস্টিকস ও প্রোগ্রাম সহায়তার মতো খুব দরকারি নয় এমন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
স্টেট ডিপার্টমেন্টের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা দফতরও বিবৃতি দিয়ে এই সামরিক সহায়তা ভারতকে বিক্রি করার অনুমোদন দেওয়ার বিষয়টি জানিয়েছে। উভয় বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার কৌশলগত পদক্ষেপের কথা। সেই পদক্ষেপের অংশ হিসাবেই ভারতকে সামরিক সহায়তায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। স্টেট ডিপার্টমেন্টের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'এই প্রস্তাবিত বিক্রয় মার্কিন-ভারতীয় কৌশলগত সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে এবং একটি প্রধান প্রতিরক্ষা অংশীদারের নিরাপত্তা উন্নত করার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার উদ্দেশ্যকে সমর্থন করবে। ভারত আমাদের এমন একজন অংশীদার, যে ইন্দো-প্যাসিফিক এবং দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, শান্তি এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে কাজ করে চলেছে।'
{{/usCountry}}স্টেট ডিপার্টমেন্টের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা দফতরও বিবৃতি দিয়ে এই সামরিক সহায়তা ভারতকে বিক্রি করার অনুমোদন দেওয়ার বিষয়টি জানিয়েছে। উভয় বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার কৌশলগত পদক্ষেপের কথা। সেই পদক্ষেপের অংশ হিসাবেই ভারতকে সামরিক সহায়তায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। স্টেট ডিপার্টমেন্টের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'এই প্রস্তাবিত বিক্রয় মার্কিন-ভারতীয় কৌশলগত সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে এবং একটি প্রধান প্রতিরক্ষা অংশীদারের নিরাপত্তা উন্নত করার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার উদ্দেশ্যকে সমর্থন করবে। ভারত আমাদের এমন একজন অংশীদার, যে ইন্দো-প্যাসিফিক এবং দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, শান্তি এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে কাজ করে চলেছে।'
{{/usCountry}}মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট আরও উল্লেখ করেছে যে, প্রস্তাবিত এই বিক্রয় বর্তমান ও ভবিষ্যৎ হুমকি মোকাবিলায় ভারতের ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে, দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করবে এবং আঞ্চলিক হুমকির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। ভারতের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির ওপর আলোকপাত করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'এই সামগ্রী ও পরিষেবাগুলি নিজের সশস্ত্র বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করতে ভারতের কোনও অসুবিধা হবে না।' উল্লেখ্য, গত এক দশকে ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। যৌথ সামরিক মহড়া, প্রযুক্তি বিনিময়, অস্ত্র কেনাবেচার মতো বিষয় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করেছে। আর সেই প্রচেষ্টাই আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে গেল আমেরিকার এই সামরিক সহায়তা প্রদানের অনুমোদনের কারণে।