...
...
Next Story

US Military officer on Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুর প্রসঙ্গ উঠতেই ভারতের প্রশংসা করলেন মার্কিন সামরিক আধিকারিক

'অপারেশন সিঁদুর'-এর সময় ভারতীয় সেনাবাহিনী সংযম দেখানোয় প্রশংসা করেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের অ্যাডমিরাল স্যামুয়েল জে পাপারো।

Published on: Feb 16, 2026, 07:41:02 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের অ্যাডমিরাল স্যামুয়েল জে পাপারোর মুখে ভারত স্তুতি। এই সামরিক আধিকারিক রবিবার বলেছেন যে ভারত-মার্কিন প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের একমাত্র উদ্দেশ্য হল শক্তির মাধ্যমে শান্তি বজায় রাখা। এরই সঙ্গে 'অপারেশন সিঁদুর'-এর সময় ভারতীয় সেনাবাহিনী সংযম দেখানোয় তিনি প্রশংসা করেন। এদিকে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান 'আগ্রাসন' নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন পাপারো। পরোক্ষভাবে এই অঞ্চলে চিনের ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তির দিকেই ইঙ্গিত করেন তিনি।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের অ্যাডমিরাল স্যামুয়েল জে পাপারোর মুখে ভারত স্তুতি।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের অ্যাডমিরাল স্যামুয়েল জে পাপারোর মুখে ভারত স্তুতি।

অপারেশন সিঁদুর নিয়ে তিনি বলেন, 'ভারতের দেখানো সংযমের প্রশংসা করি আমরা... আমি মনে করি, এই ধরনের অভিযান দেখে সব শান্তিপ্রিয় জাতি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে।' অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তান ক্ষেপণাস্ত্রসহ চিনা সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করেছিল। তা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পাপারো স্পষ্ট উত্তর না দিলেও বলেন, 'এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় সার্বক্ষণ সতর্ক থাকতে হয় ও আগে থেকে প্রস্তুতি প্রয়োজন।' তিনি কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা না দিয়েই বলেন, 'একটি শক্তিশালী প্রতিরোধ অবস্থান বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।'

এদিকে ভারত, আমেরিকা দুই দেশ নিয়ে তিনি বলেন, ভারত ও আমেরিকার স্বার্থ একই এবং উভয় পক্ষই প্রতিরক্ষা ও সামরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার দিকে তাকিয়ে রয়েছে, বিশেষ করে সামুদ্রিক ক্ষেত্রে। তিনি বলেন, 'আমরা বিশ্বাস করি যে আমাদের অংশীদারিত্ব আগ্রাসন প্রতিরোধের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে। কারণ আমরা শান্তি বজায় রাখতে অংশীদারিত্ব করেছি। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের নীতিনির্ধারকরা যেমন ভারত-মার্কিন সম্পর্ক নিয়ে কাজ করছেন, তেমনি আমাদের সামরিক নেতৃত্বেরও দায়িত্ব রয়েছে।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe