তখন রাজ্যে ছিল বামেদের বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সরকার। আর রাজ্যের বিরোধী নেত্রী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার সিঙ্গুর আন্দোলন জোরদার হতেই একটা সময় সিঙ্গুর থেকে টাটাগোষ্ঠী তার প্রজেক্ট সরিয়ে নেয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর, সলেই সিঙ্গুর ঘিরেই এল আরও এক খবর। বড়দিনের প্রাকলগ্নে মমতা-মন্ত্রিসভা ছাড় দিল সিঙ্গুরে ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের এক প্রকল্পে। আজ বুধবার, নবান্নে আয়োজিত এক বৈঠকে সিঙ্গুরে ওয়্যারহাউস প্রকল্পে ছাড়পত্র দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভা।

জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পে ১১.৩৫ একর জমি বরাদ্দ করা হয়েছে। তা লিজ দেওয়া হয়েছে ৯৯ বছরের জন্য। এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করবে নাহার ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড। এই তথ্য বুধবার জানিয়েছেন, অর্থ প্রতিমবন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মনে করা হচ্ছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে, রাজ্যে অ্যামাজন, ফ্লিপকার্টের মতো ই কমার্স সেক্টরের কাজ আরও মসৃণ হবে।
( Bangladesh Blast: বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তি! তারেক রহমানের ঢাকা আসার আগের রাতে বিস্ফোরণ, নিহত ১)
( Vastu shastra Tips: ২০২৬ আসার আগে বাড়িতে ভুলেও লাগাচ্ছেন না তো এই গাছগুলি? রইল বাস্তুটিপস)
সিঙ্গুর থেকে টাটাদের চলে যাওয়ার প্রায় ১৪ বছর পর সিঙ্গুরে এই বিপুল বিনিয়োগ ঘিরে এল খবর। ২০০৮ সালে রাজ্য থেকে যখন টাচারা তাদের ন্যানো কারখানার প্রজেক্ট সরিয়ে নেয়, তারপর থেকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল বামদলগুলি। এরপর একটা সময় বামেদের দীর্ঘ শাসনকাল পার করে সরকারে ক্ষমতায় আসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। আর সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারই এবার আনল সিঙ্গুরে নয়া প্রজেক্ট।
{{/usCountry}}সিঙ্গুর থেকে টাটাদের চলে যাওয়ার প্রায় ১৪ বছর পর সিঙ্গুরে এই বিপুল বিনিয়োগ ঘিরে এল খবর। ২০০৮ সালে রাজ্য থেকে যখন টাচারা তাদের ন্যানো কারখানার প্রজেক্ট সরিয়ে নেয়, তারপর থেকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল বামদলগুলি। এরপর একটা সময় বামেদের দীর্ঘ শাসনকাল পার করে সরকারে ক্ষমতায় আসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। আর সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারই এবার আনল সিঙ্গুরে নয়া প্রজেক্ট।
{{/usCountry}}এছাড়াও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নিলামের মাধ্যমে নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্পের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এদিন। রাজ্যে বিদ্যুতচের চাহিদা ক্রমাগ বাড়তে থাকায়, এই সিদ্ধান্ত। এক্ষেত্রে পিপিপি মডেলে ১৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার নিউ সুপার ক্রিটিক্যাল থার্মাল পাওয়ার প্লান্টের প্রসঙ্গ উঠে আসে। এদিন রাজ্যমন্ত্রিসভা,মাদার ডেয়ারি ক্যালকাটা ও বাংলা ডেয়ারিকে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এখন থেকে এই সংস্থা ‘বাংলা ডেয়ারি’ হিসাবে পরিচিত হবে। এছাড়াও জেমস অ্যান্ড জুয়েলারি পার্কের দ্বিতীয় পর্যায়ের জন্য হাওড়ার অঙ্কুরহাটিতে ০.৫ একর জমি বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমের আওতায় রাজ্যের একাধিক জায়গায় শিল্পপার্কের জন্যও জমি বরাদ্দ করা হয়েছে।