...
...
Next Story

UAV-fired Missile: ড্রোন থেকে মিসাইল ছুড়ে গুঁড়িয়ে দেবে ‘টার্গেট’, ঘিরে ফেলবে মাটি-আকাশ, সফল ভারত

UAV-fired Missile: 'আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকেল লঞ্চড প্রিসিশন গাইডেড মিসাইল'-র চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষায় সাফল্য মিলল। বাজিমাত করল ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টাল অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)।

Published on: May 19, 2026 10:59 PM IST
Advertisement

UAV-fired Missile: ড্রোন থেকে মিসাইল ছুড়ে একেবারে নিখুঁতভাবে ধ্বংস করে দেওয়া যাবে 'টার্গেট'। সেই অত্যাধুনিক 'আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকেল লঞ্চড প্রিসিশন গাইডেড মিসাইল'-র চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষায় সাফল্য পেল ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টাল অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)। মঙ্গলবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুরের কাছে ডিআরডিওয়ের টেস্ট রেঞ্জ থেকে সেই পরীক্ষা চালানো হয়েছে। আকাশ থেকে মাটির লক্ষ্যবস্তুতে টার্গেট করা হয়েছে। আবার আকাশ থেকে আকাশেই থাকা টার্গেটকে একেবারে নিখুঁতভাবে নিশানা করে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতের ‘আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকেল লঞ্চড প্রিসিশন গাইডেড মিসাইল’।

সেই অস্ত্র কারা কারা তৈরি করেছে?

'আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকেল লঞ্চড প্রিসিশন গাইডেড মিসাইল'-র চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষায় সাফল্য মিলল। (ছবি সৌজন্যে DRDO)
'আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকেল লঞ্চড প্রিসিশন গাইডেড মিসাইল'-র চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষায় সাফল্য মিলল। (ছবি সৌজন্যে DRDO)

আর সেই 'আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকেল লঞ্চড প্রিসিশন গাইডেড মিসাইল'-র জন্য হায়দরাবাদের ভারত ডায়মানিক্স লিমিটেড এবং হায়দরাবাদের আদানি ডিফেন্স সিস্টেমস অ্যান্ড টেকনোলজিস লিমিটেডের সঙ্গে হাত মেলায় ডিআরডিও। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এখন যে ট্রায়াল চলেছে, সেটার জন্য ড্রোনে পুরো সিস্টেম যুক্ত করেছে বেঙ্গালুরুর নিউস্পেস রিসার্চ অ্যান্ড টেকনোলজিস। আর হায়দরাবাদের ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ল্যাবরেটরি, চণ্ডীগড়ের টার্মিনাল ব্যালিস্টিক রিসার্চ ল্যাবরেটরি এবং পুণের হাই এনার্জি মেটারিয়ালস রিসার্স ল্যাবরেটরির সঙ্গে হাত মিলিয়ে হায়দরাবাদের রিসার্চ সেন্টার ইমরাত সেই মিসাইল তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন: India-US defence deal: অ্যাপাচি হেলিকপ্টার, হাউইটজার! ভারতকে ৪২৮ মিলিয়ন ডলারে সামরিক সরঞ্জাম ট্রাম্প প্রশাসনের

অত্যাধুনিক গ্রাউন্ড কন্ট্রোল সিস্টেমের ম্যাজিক

এই সমগ্র পরীক্ষাটি একটি সমন্বিত ‘গ্রাউন্ড কন্ট্রোল সিস্টেম’-র মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়েছিল। ডিআরডিওর তৈরি এই গ্রাউন্ড কন্ট্রোল সিস্টেমটি অত্যন্ত আধুনিক প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ। এটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের আগের প্রস্তুতি এবং লঞ্চের পুরো প্রক্রিয়াটিকে স্বয়ংক্রিয় করে তোলে। এর ফলে মানবীয় ত্রুটির সম্ভাবনা যেমন কমে, তেমনই অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিয়ে শত্রুর ওপর আঘাত হানা সম্ভব হয়।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্রের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ভারতের নিজস্ব ঘরোয়া প্রতিরক্ষা ইকোসিস্টেমের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে। দেশের একাধিক ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প এবং বেসরকারি খাতের কোম্পানি এই ঐতিহাসিক প্রজেক্টে যুক্ত ছিল। ডিআরডিও স্পষ্ট করেছে যে, এই পরীক্ষার সাফল্যের মাধ্যমে প্রমাণিত হলও যে ভারতে এখন যুদ্ধাস্ত্র তৈরির একটি অভ্যন্তরীণ সাপ্লাই চেইন গড়ে উঠেছে। এর ফলে এখন খুব দ্রুত এই মিসাইল সিস্টেমটির গণ-উৎপাদন বা ‘সিরিয়াল মাস প্রোডাকশন’ শুরু করা সম্ভব।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe